
স্টাফ রিপোর্টার টাঙ্গুয়ার হাওরে প্রতিরাতেই ৩০-৪০টি ইলেক্ট্রিক শক মেশিন ব্যবহার করে মাছ আহরণ করছে উগ্র মৎস্য শিকারীরা। শুক্রবার রাতে স্থানীয় রংচি গ্রামের সাদ্দামসহ কয়েকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেশিনসহ দুইজনকে আটক করে।তাহিরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করা হলে তিনি আনসার সদস্যদের দিয়ে আটককৃতদের ও মেশিন উদ্ধার করার নির্দেশ দেন। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্তরা ঘটনাস্থলে না আসায় স্থানীয়রা শেষ পর্যন্ত আটককৃত ব্যক্তিদের ধরে রাখতে পারেননি এবং অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।এ ব্যাপারে রাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মেহেদী হাসান মানিকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করেন কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে সকালে কথা হলে তিনি আটককৃত ইলেক্ট্রিক শক মেশিনের বিষয়টি অবগত হন।স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এই মেশিনে সরাসরি লাইনের বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় না। ব্যাটারির মাধ্যমে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ইনভার্টার দিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করে পানিতে শক দিলে মুহূর্তের মধ্যেই একটি নির্দিষ্ট জায়গার মাছ,ডিম,পোনা ও অন্যান্য জলজ প্রাণী মারা যায়।হাওরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য মারাত্মকভাবে নষ্ট হচ্ছে।সাদ্দাম হোসেন, রংচি গ্রামের বাসিন্দা বলেন:আমরা নিজেরা ঝুঁকি নিয়ে অপরাধীরা আটক করেছি। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্তরা সহায়তায় না আসায় শেষ পর্যন্ত তাদের ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। এইভাবে হলে হাওর রক্ষা এখন আমাদের জন্য চরম চ্যালেঞ্জ।পরিবেশবিদরা সতর্ক করেছেন,টাঙ্গুয়ার হাওর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত রামসার সাইট। কিন্তু নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগ না হলে এই গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি ভবিষ্যতের জন্য হারিয়ে যেতে পারে।





























