
তানজিল সরকারঃ ভৈরব কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
গত ১৮ ডিসেম্বর বুধবার টঙ্গীর ইজতেমার ময়দানে তাবলীগের ঘুমন্ত নীরহ ৪ মুসল্লি কে হত্যা সহ আহত করায় ভৈরবের ইমাম আলেম-ওলামা পরিষদের পক্ষ থেকে এক প্রতিবাদ সমাবেশে আয়োজন করা হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ওয়ালটন চত্বরে উক্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ভৈরব সহ বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসা থেকে আসা আলেম-উলামাগণ উক্ত প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত হয়ে বলেন, ভারতের সাদ ইসরায়েলের মুসাদের এজেন্ট, ভারতের র এর এজেন্ট, এই সকল এজেন্ট সারাদেশের ছড়িয়ে আছে। দীর্ঘদিন যাবত তারা তাবলীগকে বিভক্ত করা জন্যে তারা চেষ্টায় করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ওলামাদের কিভাবে বিভক্ত করা যায় তারা সেই চেষ্টা করে যাচ্ছে।
আল্লাহ এক, আল্লাহর কুরআন এক, সাদ পন্থীরা কোরআন হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে মুসলমানদের মধ্যে বিভাজনের সৃষ্টি করছে। আমরা সব সময় এক আছি, একসাথে থাকবো, আজকের পর থেকে সাদ পন্থীরা, ভৈরবে কোন কার্যক্রম করতে পারবে না। ভৈরবে কোন মসজিদে তারা অবস্থান করতে পারবে না। যে ইহুদিরা নবী রাসূল সল্লাল্লাহু (সাঃ) এর সাহাবীদের হত্যা করেছে, সেই সাদ পন্থী ওলামারা আলেমদের হত্যা করেছে।
সাদ পন্থীরা নবী রাসুলদের ভুল ধরার মত দুধসাহসিক কাজ করছে। এদেরকে মুসলমান বলা যাবে না।
উক্ত প্রতিবাদ সভায় আলেমগণ বর্তমান উপদেষ্টা প্রশাসনের ও প্রশাসনের প্রতি জানান, অবিলম্বে ঘুমন্ত মুসল্লিদের উপর হামলা করে হত্যা ও আহত কারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
সমাবেশের ভৈরবের আলেমগণ দাবি করেন, টঙ্গীতে অনেক হামলাকারীদের মধ্যে অনেকের বাড়ি এই ভৈরবেই, তাদেরকে আমরা চিনি, অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার করুন।
সমাবেশ শেষে টঙ্গীতে নিহতদের স্মরণে দোয়ার মাধ্যমে সমাবেশ শেষ করে।
দোয়া পরিচালনা করেন ভৈরব জামে মসজিদের খতিব হাফেজ জামাল উদ্দিন।
প্রতিবাদ সমাবেশে হাজী মুসার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ নায়েবে আমির মাওলানা সাব্বির আহমেদ রশিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আরিফুল, ভৈরব মার্কাজের প্রধান মাওলানা শাহাদাত হোসেন, ভৈরব কমলপুর মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা শারফউদ্দিন, ইমাম ও আলেম-ওলামা পরিষদ সভাপতি মাওলানা আল আমিন।





























