
মজমুল হক গঙ্গাচড়া প্রতিনিধি :
ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুলহক নুর বলেছেন আওয়ামী লীগ এখন একটা মড়া লাশ। এই মড়া লাশকে টানাটানি করে সান্তনা ছাড়া আর কিছু নাই।
কোনভাবেই এই আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করার সুযোগ দেয়া যাবেনা। কারন আওয়ামী লীগ যদি আবার কোনভাবে ফিরে তাহলে তারা আবার ২০০৮ সাল থেকে ২৪ সাল পর্যন্ত যে নারকীয় তান্ডব করেছে শেখ হাসিনাবাদ কায়েম হয়েছে। এর চেয়েও ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।
তিনি আজ শনিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের স্মরণ এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে গণঅধিকার পরিষদ গঙ্গাচড়া উপজেলা শাখা আয়োজিত উপজেলা মাল্টিপারপাস অডিটরিয়াম হলে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন ৫ আগষ্টের আগে আওয়ামী লীগ বিরোধী দল গুলোর মধ্যে যে ঐক্য ছিল। এই ঐক্যে ফাটল ধরেছে। দল গুলোর মধ্যে যত ফাটল ধরবে ফ্যাসিবাদ তত তারাতারি ফিরে আসার সুযোগ পাবে। সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন এই সরকার ১শ পণ্যের উপর শুল্ক ও কর বাড়িয়েছে। টিস্যু পেপার সহ রেস্টুরেন্টের খাবারেও কর বসিয়েছে। কিভাবে মানুষের কষ্ট লাঘব করা যায় তা না করে তারা পেট্রলে আগুন ঢেলে দিচ্ছে। এখন টের পাচ্ছেন না। মানুষ ঠিকই একদিন এর বিরোধিতা করবে।
গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পবিষদ ও রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সমন্বয়ক হানিফ খান সজীব এর সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সভাপতি ও মুখপাত্র ফারুখ হাসান। তিনি বলেন ৩শ আসনে নির্বাচনের জন্য গণঅধিকার পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে, কারও হালুয়া রুটি ভাগের জন্য গণঅধিকার পরিষদ কাজ করছেনা।
তিনি আরও বলেন এই অঞ্চলে একটি রাজনৈতিক দল ছিল তারা শুধু হালুয়া রুটি ভাগের রাজনীতি করত। যার ফলে তারা আজ জনগনের থুথু ছাড়া কিছুই পাচ্ছে না।
রংপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শেরে খোদা আসাদুল্লাহর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা মোন্নাফ, বিভাগীয় সমন্বয়ক ও সহ-দপ্তর সম্পাদক ইব্রাহিম খোকন, ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মামুনুর রশীদ, ইসলামি আন্দোলনের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ আলী, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আইয়ুব আলী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রংপুর জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি রায়হান সিরাজী প্রমুখ।
এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ, ছাত্র অধিকার পরিষদের গঙ্গাচড়ার নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ ও সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।





























