
ভারতের বিপক্ষে পাঁচ টেস্টের সিরিজের প্রথমটিতে জিতেছিল ইংল্যান্ড। তবে হায়দরাবাদের সেই জয়ের পর টানা তিন ম্যাচ হেরেছে ইংলিশরা। সবশেষ চতুর্থ টেস্টে রাঁচিতে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত স্বাগতিকদের কাছে পরাজিত হয়েছে বেন স্টোকসের দল। ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে নিয়েছে রোহিত শর্মার দল। এদিকে স্টোকস এবং কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালামের অধীনে এই প্রথম টেস্ট সিরিজ হেরেছে ইংলিশরা। তবে হারলেও এখনো বাজবল নিয়ে সংশয় প্রকাশের সময় আসেনি বলেই মতামত দিয়েছেন সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক নাসের হুসেইন।
রাঁচিতে ভারতের বিপক্ষে জয়ের সুযোগ ছিল স্টোকসদের। প্রথম ইনিংসে ১৭৭ রানেই স্বাগতিকদের ৭ উইকেট শিকার করেছিলেন শোয়েব বশিররা। তবে এরপর স্বাগতিক অল্প রানে বেঁধে ফেলতে পারেনি ইংলিশরা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে বড় সংগ্রহও গড়তে পারেনি সফরকারীরা।
তবে রাঁচিতে ভারতের বিপক্ষে লড়াই করেছে ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে হারতে হয়েছে স্টোকসদের। ম্যাককালাম-স্টোকসের অধীনে ২২ টেস্ট খেলে এটি ইংলিশদের সপ্তম হার। এমন হারের পর ইংলিশ দলকে নিয়ে সমালোচনা হয়েছে দেশটির গণমাধ্যমে। এমন সময়ে অবশ্য সাবেক ক্রিকেটারদের পাশেই পাচ্ছেন স্টোকস-রুটরা।
ডেইলে মেইলে লেখা নিজের কলামে সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইন বলেন, ‘এটি বাজবল নিয়ে সংশয় প্রকাশের সময় নয়। ২২ টেস্টে এর মাধ্যমেই ইংল্যান্ড ১৪টি জিতেছে, ৭টি হেরেছে। তারা যেমন কথা দিয়েছিল, সে অনুযায়ী কোনো একঘেয়ে ড্র করেনি। যে কটি ম্যাচ হেরেছে, তার দ্বিগুণ জিতেছে। আগে যা দেখেছি, তার চেয়ে অনেক ভালো দেখতে এটি।’
তবে ভারত সফর থেকে স্টোকসের অনেক কিছু শেখার আছে বলেও জানিয়েছেন নাসের। তিনি বলেন, ‘ভারতের এ সফরটা আসলে মনে করিয়ে দিয়েছে, মাঝে মাঝে তারা আরও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে পারে। আরেকটু আক্রমণাত্মক হতে পারে। আপাতত তারা শক্তিশালী এক ভারত দলের সামনে পড়েছে, যারা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সুযোগ নিয়েছে। ইংল্যান্ড এর থেকে শিখতে পারে।’
এদিকে আরেক সাবেক অধিনায়ক মাইকেল আথারটনও আছেন ইংলিশদের পক্ষেই। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে এটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজ। আমার মনে হয় ভারত জানে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতার সামনে পড়েছে। তবে দেশের মাটিতে তারা আসলে বেশিই ভালো। এ টেস্ট জয় আসলে ভারতের দিক থেকে দারুণ প্রচেষ্টা। টসে হেরেছিল, প্রথম ইনিংসে পিছিয়েও ছিল। কিন্তু ঘুরে দাঁড়িয়েছে।’







































