
সুপার এইটে আফগানিস্তানের কাছে নিজেদের শেষ ম্যাচে হেরে বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়েছে বাংলাদেশের। টুর্নামেন্ট শেষে আজ সকালে দেশে ফিরেছে টাইগাররা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি হয়ে দুবাই, সেখান থেকে আজ সকালে ঢাকায় এসে পৌছেছে লাল-সবুজের দল। দেশে ফেরার পর আজ সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন সহ-অধিনায়ক তাসকিন আহমেদ।
এবারের আসরে বাংলাদেশ দলের পারফর্ম্যান্স নিয়ে তিনি বলেন, ‘না, আসলে সত্যি কথা বলতে, ভালোর তো শেষ নেই। হ্যাঁ, আরও অনেক ভালো হতে পারত। বিশেষ করে শেষ ম্যাচটা, আমরা সবাই একটু হতাশ হয়েছি। আমরা জেতার চেষ্টা করেছি প্রথমে, ১২ ওভারের মধ্যে, যখন বুঝতে পারলাম ১২ ওভারের মধ্যে শেষ করা সম্ভব না, তখন স্বাভাবিকভাবে খেলার চেষ্টা করেছিল সবাই। তাও জিততে পারিনি।’
তবে টুর্নামেন্টে বোলারদের পারফর্ম্যান্সকে ইতিবাচক হিসেবে ধরেছেন তাসকিন। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, ইতিবাচক দিক আছে। পুরো টুর্নামেন্টে বোলিং যথেষ্ট ভালো করেছে। সুপার এইটে এসেছি। সর্বপ্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমরা তিনটা জয় পেয়েছি। মানে পজেটিভ আছে। কিন্তু নেগেটিভের সংখ্যাটা একটু বেশি। সবার মতো আমরাও জানি, প্রত্যাশা অনুযায়ী ভালো হয়নি।’
এবারের আসরে ব্যাটে-বলে ছন্দে ছিলেন না সাকিব আল হাসান। ভালো পারফর্ম করতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও। দলের দুই সিনিয়র ক্রিকেটারের অফ ফর্ম কতটা প্রভাব ফেলেছে এ প্রসঙ্গে তাসকিন বলেন, ‘দুজন সিনিয়রের ফর্মে না থাকা অবশ্যই প্রভাব ফেলেছে। কিন্তু মাঠের বাইরে প্রভাব পড়েনি। ৪৭ দিন একসঙ্গে ছিলাম, সবাই একসঙ্গে ছিলাম। অফ দ্য ফিল্ডে সব ভালো ছিল। দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা অফ ফর্মে থাকলে ওই দলে সমস্যা হওয়াটাই স্বাভাবিক। আশা করছি দ্রুত সামনে এসব কাটিয়ে উঠব।’
বাংলাদেশ দলের উন্নতি হচ্ছে জানিয়ে তাসকিন আরও বলেন, ‘ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। টি-টোয়েন্টিতে আমরা আগে থেকেই অনেক পিছিয়ে ছিলাম। সেখান থেকে উন্নতি তো হচ্ছে। শুধু মাইনাস পয়েন্ট দেখলে তো হবে না। এমনিতেই মাইনাসেই আছি। প্লাসে আসার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। করেই যাব। আপনারা হতাশ হচ্ছেন, স্বাভাবিক। আবার আমরা আপনাদের ভালো জয় উপহার দেব। বিশ্বাস রাখেন আমাদের ওপর।’







































