
আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :
বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির (চট্টগ্রাম বিভাগীয়) সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেছেন, তারুন্যের রাজনৈতিক অধিকার আদায় ও জনগনের মালিকানা ফিরে পেতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত জরুরী। তাই দেশের মানুষ আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন চায়; স্থানীয় সরকার নির্বাচন নয়। তিনি আশা করেন, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মাননীয় প্রধান উপদেষ্ঠা ড. মুহাম্মদ ইউনুস আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করবেন। আর যদি তা না করেন তাহলে কঠোর আন্দোলনে যাবে বিএনপি। যতক্ষণ পর্যন্ত জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত বিএনপি রাজপথ ছাড়বেনা বলে জানান তিনি।
আগামী ১০ মে শনিবার চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের সমাবেশ সফল করার লক্ষে বুধবার (৭) মে কর্ণফুলী উপজেলাস্থ ক্রসিং একটি কনভেনশল হলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র উদ্যোগে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় মাহবুবের রহমান শামীম আরো বলেন, যেকোনো আন্দোলন সংগ্রামে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি। এবারো তার ব্যতিক্রম হবেনা। এ সমাবেশ জাতীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে জানিয়ে তিনি চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে অনুষ্ঠিতব্য তারুণ্যের সমাবেশে লক্ষ মানুষের সমাগম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির (চট্টগ্রাম বিভাগীয়) সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মো. হেলাল উদ্দিন বলেছেন, আগামী ১০মে তারুণ্যের সমাবেশের ডাক দিয়েছেন দেশনায়ক তারেক রহমান। এ সমাবেশে বিএনপির সকল নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করতে হবে। চট্টগ্রামের সকল জেলা উপজেলা হতে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃত্বে দলে দলে সমাবেশে অংশ নিতে হবে। আমরা প্রমাণ করে দিতে চাই; বাংলাদেশের তরুণদের রাজনৈতিক অধিকার আদায়ে দীর্ঘ ১৭বছর লড়াই সংগ্রাম করে যাওয়া দেশনায়ক তারেক রহমানের পক্ষে বাংলাদেশের তরুণ সমাজ অবস্থান নিয়েছে। এসময় তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে হুশিয়ার করে বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা দিবেন তা বিনাবাক্যে কোনো প্রতিবাদ ছাড়াই মেনে নিতে হবে। দলের মধ্যে কোনো বিভ্রান্ত কিংবা বিভাজন সৃষ্টি করা যাবে না। যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্ঠি করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া বলেন, বরাবরের ন্যায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি এ তারুন্যের সমাবেশে প্রত্যেক জেলা উপজেলা হতে সর্বোচ্চ জনসমাগম নিয়ে অংশগ্রহণ করে প্রমাণ করে দিব দক্ষিণ চট্টগ্রামের মাটি বিএনপির ঘাটি। তিনি বলেন, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের ব্যানারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলেও সমাবেশে সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে লজিস্টিক সাপোর্ট দেয়াসহ সবধরনের সহযোগিতা করবে দক্ষিণ জেলা বিএনপি।
দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন বলেন, দেশ বাঁচাতে তারুণ্যের সমাবেশ দেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আন্দোলন বেগবান করা, তরুণ ভোটারদের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তরুণদের নিয়ে সমাবেশের ডাক দিয়েছে। দক্ষিণ চট্টগ্রামের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা জমায়েত-মিছিল সহকারে অংশগ্রহণ করতে নেতাকর্মীদের উদাত্ত আহ্বান জানান।
উক্ত প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র নবগঠিত কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস, যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, আজিজুল হক চেয়ারম্যান, আসহাব উদ্দিন চৌধুরী, জামাল হোসেন, মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, রেজাউল করিম চৌধুরী নেছার চেয়ারম্যান, সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু, সদস্য বদরুল খায়ের চৌধুরী, এস এম মামুন মিয়া, আমিনুর রহমান চৌধুরী, শফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মাস্টার মো. লোকমান, শওকত আলম চৌধুরী, এস এম ছলিম উদ্দিন খোকন চৌধুরী, হাজী মো. রফিকুল আলম, মাস্টার মো. রফিক, রাজীব জাফর চৌধুরী, সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী, সরওয়ার হোসেন মাসুদ, জাহাঙ্গীর কবির, হাজী মো. ওসমান, জাগির আহমদ, আমিনুল ইসলাম, বাঁশখালী উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব রেজাউল হক চৌধুরী রেজা, বোয়ালখালী পৌরসভা বিএনপি’র আহ্বায়ক শহিদুল্লাহ চৌধুরী, জসিম উদ্দিন, সাতকানিয়া উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব গোলাম রসুল মোস্তাক, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. আজগর, জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মহসিন চৌধুরী রানা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মনজুর আলম তালুকদার, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ডা. মহসিন খান তরুণ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জমির উদ্দিন মানিক, নবগঠিত জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোজাম্মেল হক বেলাল, সালাহউদ্দিন চৌধুরী সোহেল, শেফায়েত উল্লাহ চক্ষু, ফৌজুল কবির ফজলু, মো. শাহীনুর শাহীন, মো. ইসমাইল, ইফতেখার হোসেন চৌধুরী ইফতু, খন্দকার হেলাল উদ্দিন (সিআইপি), জাবেদ মেহেদী হাসান সুজন, মো. ইব্রাহিম, দিল মোহাম্মদ মনজু, এম মনছুর উদ্দিন, মো. ফারুক হোসেন, সালেহ জহুর, দেলোয়ার আজিম, শাহাদাত হোসেন সুমন, দেলোয়ার হোসেন, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোজাম্মেল হক, জাসাসের আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন, কৃষকদলের সদস্য সচিব মীর জাকির আহমেদ, মহিলা দলের সহ-সভানেত্রী আফরোজা বেগম জলি, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুর শাহেদ খান রিপন, ইসমাইল বিন মনির, তারেক রহমান, আনিছুর রহমান আনাছ ও মোফাচ্ছল হোসেন জুয়েল প্রমুখ।





























