
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় রসুনের আবাদ করে লোকসানের আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। তারা বলছেন, এবারের মৌসুমে রসুনের ভালো উৎপাদন হলেও বাজারদর অনুযায়ী লোকসান গুনতে হবে তাদের। প্রতি কেজি রসুন ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হলেও উৎপাদন খরচের তুলনায় তা অনেক কম বলে দাবি তাদের।
উপজেলার দক্ষিণ আগ্রা এলাকার চাষিদের অভিযোগ, সার, বীজ, কীটনাশকসহ বিভিন্ন উপকরণের দাম বাড়ায় রসুন চাষে খরচ বেড়েছে। ফলে বিক্রি করে কাঙ্ক্ষিত লাভ তো দূরের কথা, মূলধন তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।
তারা আরও অভিযোগ করেন, মাঠ থেকে রসুন চলে যাওয়ার পরই বাড়ে এর বাজারদর, যা মূলত মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেট ভারি করে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য কৃষকরা উৎপাদিত রসুন বিদেশে রপ্তানির জোর দাবি জানিয়েছেন।
কৃষি কর্মকর্তারা জানান, কিছুদিনের মধ্যেই বাজারে রসুনের দাম বাড়বে। এছাড়া তারা কৃষকদেরকে রসুন মজুত করে বাজার বুঝে বিক্রি করার পরামর্শ দিয়েছেন। এই সংগ্রহকৃত রসুন পরবর্তী সময়ে বীজ হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।
কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি বছর জেলায় ৩ হাজার ৮৭৬ হেক্টর জমিতে রসুনের চাষ হয়েছে, যা থেকে ৪১ হাজার ৮৫ মেট্রিক টন রসুন উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।





























