
সাদিয়াত হোসেন: স্টাফ রিপোর্টার
শিক্ষিত মা এক সুরভিত ফুল, প্রতিটি ঘর হবে এক একটি স্কুল’ এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ঘড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে ছাত্র-ছাত্রীদের মনোনয়নের লক্ষ্যে এক অভিভাবক সমাবেশ ও একই সাথে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ ঘটিকায় ঘড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ চত্বরে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অভিভাবক সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, কালিহাতী নার্সিং কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গির আলম, হাজী জয়নাল আবেদীন, হাজী মো. মিজানুর রহমান, মো. আজিম উদ্দিন, শ্রী অজিত কুমার সরকার, ঘড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাদেক আলী, ঘড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আহাদ ও সহকারী শিক্ষক আব্দুল কদ্দুছ, আতিকুর রহমান আতিক,আনিসুর রহমান, রবীন্দ্রনাথ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এবং অভিভাবকসহ স্থানীয় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
শুরুতেই পবিত্র কুরআন তেল ওয়াত দিয়ে শুরু করেন অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আমিনুল্লাহ ও গীতা পাঠ করেন রুপালি সরকার।
উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারান্দিয়া ইউনিয়ন এর সাবেক মেম্বার মোহাম্মদ আলী সরকার এবং অনুষ্ঠানটি পরিচালনা সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল মজিদ এবং শিক্ষার্থীদের তৈরি করার লক্ষ্য কিছু সময় উপস্থাপন করেন অত্র বিদ্যালয়ের (১০ম) শ্রেণীর ছাত্রী লামিয়া আক্তার।
অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য শিক্ষক ও অতিথিরা দিক নির্দেশনা কিছু বক্তব্য দেন যে, শিক্ষার্থীরা শিক্ষার দিকে ভালোভাবে গড়ে তোলার জন্য বিদ্যালয়, শিক্ষক ও অভিভাবকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। আপনি একজন অভিভাবক হিসেবে সন্তানের যথাযথ পড়াশোনার বিষয় গুরুত্বপূর্ণ । কিন্তু বিদ্যালয় বা শিক্ষক এ বিষয়ে সিরিয়াস না। তাহলে কিন্তু সেই শিক্ষার্থী কখনো ভালো ছাত্র-ছাত্রী হতে পারবে না।
আবার দেখা যায় শিক্ষার্থীর পড়াশোনার বিষয়ে শিক্ষক যদি সিরিয়াস হয়। তাহলে অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবক সিরিয়াস হয় না। সেক্ষেত্রেও কিন্তু একজন শিক্ষার্থী ভালো ছাত্র-ছাত্রী হতে পারবেনা। এই কারণে শিক্ষক ও অভিভাবকের দুজনকেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে।
আমরা শুধু একজন শিক্ষার্থী থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আট ঘণ্টা দেখাশোনা করতে পারি। কিন্তু বাকি ১৬ ঘণ্টা কিন্তু সে বাড়িতে থাকে। এই কারণে বিদ্যালয়ের চেয়ে শিক্ষার্থী বাড়িতে কিন্তু বেশি সময় পাচ্ছে। তাই শিক্ষার্থীকে বাড়িতে পড়ার বিষয়ে প্রত্যেক অভিভাবককে জোরদার চাপ দিতে হবে। এখন ধরুন আমি বিদ্যালয় সকল পড়ার ঠিকঠাকভাবে দিয়ে দিলাম। কিন্তু বাড়িতে গিয়ে সে খেলাধুলা, টিভি দেখা ও মোবাইল ফোন চাপায় ইত্যাদি কাজে সাথে যুক্ত থাকে। তাহলে কখনোই সেই শিক্ষার্থী সফল হতে পারবে না। তাই প্রত্যেক অভিভাবকদের তার সন্তানদের প্রতি কঠোর নজর দিয়ে সামনের দিনগুলো এগিয়ে নিতে হবে।
"শিক্ষক অভিভাবকের সম্মিলিত শক্তি শিক্ষায় বয়ে আনবে সমৃদ্ধি ও মুক্তি"। অভিভাবক সমাবেশে আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।





























