
ইয়ার রহমান আনান,কক্সবাজার
বদরখালী ইউনিয়ন এরিয়া তার দায়িত্ব হলেও চষিয়ে বেড়ান পৌরসভার অধিকাংশ ক্রাইম জুনে।
পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে গ্রেফতার এড়িয়ে চলেন।
থানায় দাপট এবং দাম্ভিকতা দেখিয়ে দাপিয়ে বেড়ান এএসআই আনোয়ার।
থানার ভিতরেই প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে ‘এক এএসআই’র হাতে!
অফিশিয়াল নয়, কিন্তু সব অনিয়মে ‘সাইনেচার’ আনোয়ারের!
চকরিয়ায় আইনের নামে বাণিজ্য, কেন্দ্রবিন্দুতে 'ছায়া ওসি' আনোয়ার
'''এএসআই আনোয়ার হোসেন। চকরিয়ার থানায় কর্মরত নিম্নশ্রেণীর পুলিশের কর্মকর্তা। যোগদানের ছয় মাস পার হলেও চকরিয়ার অধিকাংশ অপরাধ জগৎ এবং অপরাধীদের বস করে ঘুষ নেয়ার নিয়মনীতি রপ্ত করেছে অতিসহজেই। থানায় যেকোনো মামলা হলেই আসামীদের কাছে খবর পৌঁছে দেয় নিয়মিত। তবে এসব করতে সে একটা মোটা অংকের টাকাও হাতিয়ে নেন বলে জানা যায়। আনোয়ার হোসেন চকরিয়া উপজেলার অধিকাংশ মাদকের ডেরা থেকে মাসিক উৎকোচ নেয়ারও খবর রয়েছে। তবে সবমিলিয়ে অবৈধ ঘুষ লেনদেনের মহা দানব হিসেবে পরিচিত লাভ করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। সে পুলিশের উপসহকারী সাব-ইন্সপেক্টর হলেও তিনি চকরিয়া থানায় অঘোষিত ওসি হিসেবে কাজ করেন।
চকরিয়া উপজেলায় আঠারোটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। এসবের মধ্যে যেসব মাদকের ডেরা এবং পতিতালয় রয়েছে, সবকটি থেকে মাসিক উৎকোচ নেন এএসআই আনোয়ার। থানায় মামলা বাণিজ্য এবং বিচারের পক্ষ বিপক্ষের নামে-বেনামে টাকাও হাতিয়ে নেন বলে জানা যায়। তবে তার বিরুদ্ধে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন খুদ একই থানার একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের কর্মকর্তা। তিনি থানার ডিউটির বাহিরে গিয়েও নিজেকে ওসি শফিকুল ইসলামের কাছের মানুষ পরিচয় দেন। এবং থাানয় সব সমস্যা সমাধান অতিসহজেই করে দিতে পারেন বলেও জানা যায়।
জানা যায় যে পৌরসভার ওশান সিটির দ্বিতীয় তলায় ওশান সিলভার নামের একটি আবাসিক হোটেলের পতিতালয় এবং হোটেল ডি ফুর, আল-রহমত,সহ অধিকাংশ মাদক এবং পতিতালয় ডেরা থেকে থানার ওসি এবং নিজের নাম ভাঙিয়ে মাসিক টাকা তুলেন। পৌরসভার তিন নাম্বার ওয়ার্ড খসাই পাড়া,
ঘনেশ্বর বাজার, আমাইন্নারছর, ভরা মুহুরী এবং পৌরসভার অধিকাংশ গাঁজা, ইয়াবা,মদ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা নেন বলে জানা যায়।
এদিকে আনোয়ারের নিজস্ব মুঠোফোনে তার এসব কর্মকাণ্ডের বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাই মোবাইলে কোন কথা না বলে একটু সরাসরি কথা বলার ইচ্ছে ছিল। তবে সরাসরি কথা বলার জন্য বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও পরবর্তী তার হদিস পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে চকরিয়া থানার ওসি তদন্ত ইয়াছিন বলেন, তিনি ছুটিতে রয়েছেন, তবে তিনি বদরখালী এরিয়ায় কাজ করেন, পাশাপাশি অথেনটিক ডকুমেন্ট নিয়ে বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নিয়ে নিউজটি করিয়েন। তবে আমি ছুটিতে থাকায় এসব বিষয়ে কথা বলতে পারছিনা।
চকরিয়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম এবিষয়ে বলনে, এসব বিষয়ে তো আমি জানিনা,সে যদি এমন কান্ড করে থাকে অবশ্যই আমি তাকে শাসন করব। আমি জিজ্ঞেস করব। প্রথমবার যখন বলছেন, এখন একটু দেখি। আমার বিষয়টি জানা নেই।
বিষয়টি নিয়ে এসপি সার্কেল( চকরিয়া ) অভিজিৎ বলেন, সুনির্দিষ্ট এমন যদি অভিযোগ আমাদের হাতে আসে,এবং যে পুলিশ কর্মকর্তা কর্মচারী অবৈধ কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়বে তাকে অবশ্যই তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





























