
আইপিএলে গতকাল হওয়া সানরাইজার্স হায়দরাবাদ বনাম রয়্যাল চ্যালনেজার্স ব্যাঙ্গালুরুর ম্যাচে চার-ছক্কার বন্যা দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব। আগে ব্যাট করতে নেমে ২৮৭ রানের রেকর্ড গড়া সংগ্রহ গড়ে হায়দরাবাদ। দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেয়ার পথে বিধ্বংসী শতক হাঁকিয়েছেন ট্রাভিস হেড, ঝ্রো নিংস খেলেছেন হেইনপরিখ ক্লাসেন এবং আব্দুল সামাদ।
পরে বিশাল লক্ষ্য তাড় করতে নেমে মারকুটে ব্যাটিং করেছেন বিরাট কোহলি, দীনেশ কার্তিকরাও। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি জিততে পারেননি কোহলির দল, হেরেছেন ২৫ রানের ব্যবধানে। এদিকে ব্যাঙ্গালুরু হারলেও বেশ কিছু রেকর্ড গড়েছে দুই দলের ৫৪৯ রানের ম্যাচটি।
৫৪৯ রানের ম্যাচ যত রেকর্ড:
১. আইপিএল ইতিহাসের সর্বোচ্চ দলীর রানের সংগ্রহ গড়েছে হায়দরাবাদ। অবশ্য ২৮৭ রানের এই রেকর্ড গড়ার পথে নিজেদের গড়া রেকর্ডই ভেঙেছে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। এর আগে এবারের আসরেই মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ম্যাচে ২৭৭ রান করেছিল দলটি।
২. হায়দরাবাদের ২৮৭ রানের পর ব্যাঙ্গালুরুও কাল শেষ পর্যন্ত করেছে ২৬২ রান। ফলে দুই দল মিলিয়ে কালকের ম্যাচে রান হয়েছে ৫৪৯। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এক ম্যাচে সবথেকে বেশিরান হওয়ার রেকর্ড এটি।
৩. ব্যাঙ্গালুরুর বলারদের তুলোধুনো করে কাল ২২টি ছক্কা হাকুয়েছেন হেড-ক্লাসেনরা। আইপিএলে এক ইনিংসে সবথেকে বেশি ছক্কার রেকর্ড এটি। এ রেকর্ডটি আগে ছিল ব্যাঙ্গালুরুর দখলেই। ২০১৩ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ২১টি ছক্কা হাকিয়েছিল দলটি।
৪. দুই দল মিলিয়ে কাল মোট ছক্কা মেরেছে ৩৮টি। আইপিএলে যৌথ সর্বোচ্চ ছয়ের রেকর্ড এটি। এর আগে মুম্বাইয়ের বিপক্ষে হায়দরাবাদের ২৭৭ রান সংগ্রহ করার ম্যাচেও ছয় হয়েছিল ৩৮টি।
৫. দুই দল মিলিয়ে কাল সর্বমোট বাউন্ডারি হাঁকান ৮১টি, টি-টোয়েন্টি যৌথভাবে সবথেকে বেশি বাউন্ডারি হওয়ার রেকর্ড এটি। এর আগে ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচে ৮১টি বাউন্ডারি হয়েছিল।
৬. গতকাল আরসিবির রিস টপলি, ইয়াশ দয়াল, লকি ফার্গুসন এবং বিজয় বৈশাখ- এই চারজনই ৫০ এর উপরে রান দিয়েছেন। এর আগে আর কোনো ম্যাচেই একই দলের চার বোলার ৫০ এর উপর রান হজম করেননি।







































