
নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচনে এবার নতুন প্রার্থী হিসেবে আছেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ, একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং সমাজসেবক। দীর্ঘ ২০ বছরের অভিজ্ঞতা এবং ব্যবসায়িক জগতের এক অভিজ্ঞানী নেতা হিসেবে তিনি নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ী সমাজের সেবা এবং উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চান। তার নেতৃত্বে, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হতে পারে বলে বিশ্বাস তার।
দীর্ঘ এক যুগ পর নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবং এতে প্রার্থী হয়েছেন নারায়ণগঞ্জের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং সমাজসেবক আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ। তার দীর্ঘ ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা, সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ, এবং নেতৃত্বের দক্ষতা তাকে এ নির্বাচনে প্রার্থী হতে উদ্বুদ্ধ করেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সে তার নেতৃত্বের মাধ্যমে ব্যবসায়ী সমাজের উন্নতি, ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি এবং দেশের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।
আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগের ব্যবসায়িক যাত্রা শুরু হয়েছিল ছোটভাবে, কিন্তু তার কঠোর পরিশ্রম, দৃঢ় মনোভাব এবং উদ্ভাবনী দক্ষতার কারণে "মীম শরৎ গ্রুপ" আজ নারায়ণগঞ্জের অন্যতম সফল ব্যবসায়িক গ্রুপ হিসেবে পরিচিত। তার অধীনে বর্তমানে ৯টি ফ্লাওয়ার মিল এবং ২০টি অভ্যন্তরীণ নৌযান রয়েছে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও পণ্য পরিবহণের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ ছাড়া তিনি দেশের বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠনের সাথে যুক্ত রয়েছেন এবং জাতীয় অর্থনীতি এবং সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখছেন।
তবে আলহাজ্ব সোহাগের সফলতা শুধুমাত্র ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসহায় মানুষদের সহায়তায় বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছেন। তার প্রতিষ্ঠিত দারুল ইশক হোসাইনিয়া খানকা শরিফের মাধ্যমে তিনি দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার দৃষ্টিভঙ্গি হলো, ব্যবসার মাধ্যমে কেবল ব্যক্তিগত লাভ অর্জন নয়, বরং সমাজের কল্যাণে অবদান রাখা।
আলহাজ্ব সোহাগ ১৮ জুলাই ২০২৪ তারিখে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সমর্থন জানিয়ে আহত হয়েছিলেন। সেই সময়ে রাবার বুলেটে আহত হয়ে তিনি জীবনের ঝুঁকিতে পড়েছিলেন, তবে তার মনোবল তাকে কখনও হার মানতে দেয়নি। সে অভিজ্ঞতা তাকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং তিনি এখন আরও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, দেশের কল্যাণে কাজ করার জন্য। তিনি বলেন, "আমি জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে দেশের উন্নতি ও জনগণের সেবায় কাজ করতে প্রস্তুত।"
এবারের নির্বাচনে আলহাজ্ব সোহাগ ভোটারদের কাছে আবেদন করেছেন, যাতে তারা তাকে নির্বাচিত করে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের দায়িত্বভার তুলে দেন। তার বিশ্বাস, তার দীর্ঘ ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা এবং নেতৃত্বের দক্ষতা চেম্বারের কাজকে আরও সাফল্যমন্ডিত করবে এবং নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, "নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়িরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের মত প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছেন না। এবারের নির্বাচনে তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নিজেদের পছন্দের নেতা নির্বাচন করতে পারবেন। আমি তাদের পাশে আছি এবং তাদের সহযোগিতা চাই।"
অতীতে নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়িক খাতে চেম্বার অব কমার্সের কর্মকান্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি অনেক ব্যবসায়ী। তবে আলহাজ্ব সোহাগ বিশ্বাস করেন, বর্তমান পরিবেশে চেম্বারের কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ সম্ভব এবং এর মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়িক উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা সম্ভব। তার লক্ষ্য হচ্ছে, নারায়ণগঞ্জকে একটি আধুনিক, উন্নত এবং ব্যবসায়িকভাবে আরও শক্তিশালী করে তোলা।
আলহাজ্ব সোহাগ আরও বলেন, "আমি ব্যবসায়িক এবং সামাজিক দুই ক্ষেত্রেই আমার অভিজ্ঞতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী প্রয়োগ করতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, নির্বাচিত হলে নারায়ণগঞ্জের চেম্বার অব কমার্স একটি নতুন দিগন্তের দিকে এগিয়ে যাবে।"





























