
নভেম্বরেও বাড়ছে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা। চলতি মাসে প্রথম ২৬ দিনেই মারা গেছেন ১৫৬ জন, যা এক মাসে সর্বোচ্চ। মশক নিধনে স্থানীয় সরকারের ব্যর্থতা দেখছেন চিকিৎসকেরা। রোগীর জটিলতা ও মৃত্যু এড়াতে উপসর্গ দেখলেই দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।
মুগদা জেনারেল হাসপাতালের ১১ তলার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চিকিৎসা নিচ্ছেন নারায়ণগঞ্জের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আল আমিন। নয় দিন আগে জ্বর আসে তাঁর। চিকিৎসা নেন স্থানীয় হাসপাতালে। এক সপ্তাহ পরেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় রোববার ভর্তি হন মুগদা হাসপাতালে।
ডেঙ্গু আক্রান্তদের নিয়ে মুগদা মেডিকেল হাসপাতালের পরিচালক ডা.এস এম হাসিবুল ইসলাম বলছেন, জেলা-উপজেলা পর্যায়ের রোগীরা জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ থাকলেও সঠিক সময়ে চিকিৎসা নেন না। এতে বাড়ে জটিলতা।
মুগদা মেডিকেল হাসপাতালের পরিচালক ডা.এস এম হাসিবুল ইসলাম বলেন, নভেম্বর মাসে সাধারণত কমে আসে ডেঙ্গু। ব্যতিক্রম এই বছর। এখনও ডেঙ্গু না কমায় সিটি করপোরেশনের ব্যর্থতা রয়েছে। জেলা-উপজেলায়ও মশা মারার কাজে গতি নেই।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৪৭১ জন। আর ১ থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত মারা যান ১৫৬ জন, যা এক মাসে সর্বোচ্চ।
































