
জাহিদ হাসান মুক্তার, পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
"জুলাই পুনর্জাগরণে নারীর অবদান—সংগ্রামের পথে এক উজ্জ্বল ইতিহাস।" এই প্রত্যয়ে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো এক হৃদয়ছোঁয়া অভিভাবক সমাবেশ।
‘জুলাইয়ের মায়েরা’ শীর্ষক কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (২ আগস্ট) উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই আয়োজনে মিলিত হন শিক্ষক, অভিভাবক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয় ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যূত্থানে শহীদ বীরদের। এক মিনিটের নিরবতা পালন ও দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল পর্ব। এরপর প্রদর্শিত হয় একটি প্রামাণ্যচিত্র—যেখানে উঠে আসে সেই সময়কার সাহসিকতা, ত্যাগ ও নারীর ভূমিকার অমলিন চিত্র।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দত্তের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বিল্লাল হোসেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন—উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুর-ই-আলম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহজাহান, কটিয়াদী ফেকামারা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কাশেম বিপ্লব, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কুদ্দুস, সাবেক মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান মোছা. শামছুন্নাহার আপেল ও পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমীর নাজমুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন,
"জুলাইয়ের আন্দোলনে শুধু যুবকরা নয়, মায়েরাও রাজপথে ছিলেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। তাদের অদম্য সাহসিকতায় ত্বরান্বিত হয়েছে গণজাগরণ। সেইসব মায়েদের প্রতি আজকের এই শ্রদ্ধা শুধুই আনুষ্ঠানিকতা নয়—এ এক চেতনার পুনর্জন্ম।"
অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, নারী প্রতিনিধি, স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশ শেষ হয় "জুলাইয়ের মায়েরা"র ত্যাগ ও সাহসের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে—যারা ইতিহাসের পাতায় শুধু নাম নয়, হয়ে আছেন অনুপ্রেরণার দীপ্ত প্রতীক।





























