
মাসুদ রানা,পত্নীতলা (নওগাঁ)
নওগাঁর পত্নীতলায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ( বিএমডিএ) এর গভীর নলকূপের অপারেটর পদে নিয়োগের ফলাফল প্রকাশ নিয়ে দু গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ।
এ ঘটনায় মারুফ মোস্তফা বাদী হয়ে জুবায়ের ইসলাম, মুরাদ, আরিফসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০/১২ জনকে অভিযুক্ত করে পত্নীতলা থানায় লিখত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদি মারুফ মোস্তফা সঙ্গীয় কয়েকজনকে সাথে নিয়ে বিএমডিএ অফিসে গভীর নলকুপের অপারেটর নিয়োগের ফলাফল দেখতে যান। এ সময় বিবাদীগণও একই ফলাফল দেখতে আসেন ওই অফিসে, নিয়োগ পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক বিতর্ক হয়। তর্ক বিতর্কের এক পর্যায়ে তারা বাদিদেরকে অকথ্য ভাষায় লাগিগালাজ করেন। এসময় বিবাদিগণ বাদীগণকে কিল ঘুসি ধাক্কাধাকি করে বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। নিষেধ করলে বিবাদীগণ বাদিগণকে আরও কিল ঘুসি মারে এবং বরেন্দ্র অফিসের একটি কক্ষে আটক করে রাখে এবং প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন।
এক পর্যায়ে বাদি মারুফের সাথে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে ইউএনও এবং থানা পুলিশ কে , উপরোক্ত ঘটনার বিষয়ে জানালে থানা পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর অফিসার গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন । থানা পুলিশ এবং সেনাবাহিনী উপস্থিতি টের পেয়ে সকল বিবাদীগণ কৌশলে পালিয়ে যায়। বর্তমানে বিবাদীগনের কারনে বাদি এবং তার সঙ্গীয় লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় আছেন উল্লেখ করে বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানান তিনি।
অভিযুক্ত ১নং বিবাদী জুবায়ের ইসলাম বলেন পূর্বে একটা দিঘী নিয়ে মারুফের সাথে ঝামেলায় আমরা ১৫/২০জন শিক্ষার্থী তাদের থেকে আলাদা হয় ,সেই পূর্বশত্রুতার জেরে আমাদের বিবাদি করেছেন। আমরা কোন মারধর করিনি। বরেন্দ্র অফিসে গিয়ে শুনুন মারুফ কতবার বরেন্দ্র অফিসে গেছে আর আমি কতবার গেছি সে কতজনের সুপারিশ করছে আর আমি কতজনের সুপারিশ করেছি তদন্ত করেন সত্যতা পাবেন।
পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ মোঃ এনায়েতুর রহমান বলেন এ বিষেয় দু পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার( ইউএনও) মোঃ আলীমুজ্জামান মিলন বলেন সেখানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছিল আমরা গিয়ে সবাই কে যার যার মত পাঠায়ে দিয়েছি। সেখানে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ও থানার ওসি উপস্থিত ছিলেন ।





























