
শেরপুর প্রতিনিধি:
শেরপুর জেলার সদর উপজেলার ৬ নং পাকুরিয়া ইউনিয়নের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ইউনিয়নের রাস্তাঘাট সংস্কার কাজের জন্য ২৪-২৫ অর্থ বছরে ১১.৫০ টন গম বরাদ্দ দেওয়া হয় যাহার মূল্য-৫ লক্ষ ২৯ হাজার টাকা।
উভয় প্রকল্পে আংশিক কাজ করে প্রকল্পের পুরো টাকা আত্মসাৎ করার হীন চেষ্টা চালায়।
বিষয়টি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দৃষ্টি গোচর হলে ওই প্রকল্পের বিল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবী করেন তিনি।
উভয় প্রকল্পের কাজের দায়িত্বে থাকা ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. সাইদুর রহমান তিলকান্দি গ্রামের রৌহা বিলের ব্রীজ হতে টান বন পর্যন্ত রাস্তায় মাটি কাটার কথা থাকলেও সে একটি বেকু মাত্র ৯ হাজার টাকায় ভাড়া এনে ৬ ঘন্টায়
মাটি কাটে ২ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকা বিল জমা দিলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রথম কিস্তি দিলেও পরবর্তী বাকি বিলের সমূদ্বয় টাকা
আটকিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ
রয়েছে, বয়স্ক ভাতা,বিধবা ভাতার কার্ড তার কাছ থেকে নিতে গেলে গুনতে হয় মোটা অংকের টাকা এমন অভিযোগ অসহায় ভুক্তভোগী মানুষের।
অনিয়মের বিষয়ে ইউপি সদস্য মো. সাইদুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,
৫ লক্ষ টাকা খরচ করে ইউপি সদস্য হয়েছি, আপনারা লেখালেখি করে যা করতে পারেন করিয়েন।
এব্যাপারে স্থানীয় কমিউনিস্ট নেতা সোলায়মান আহম্মেদ বলেন, সরকারি
২ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকার কাজ ৯ হাজার টাকায় সমাপ্ত করেছেন এমন দূর্নীতিবাজ ইউপি সদস্য আমার চোখে কখনো পড়েনি বলে দাবী করেন তিনি।
এবিষয়ে ইউপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন,
সরকারি গম
প্রতি কেজি দর ৪৬ টাকা হলেও আমরা বিক্রি করি ২৯/৩২ টাকা দরে।
এব্যাপারে শেরপুর সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রকিবুল হাসান বলেন, এমন অভিযোগ আমার কাছে আছে বিধায় ওই প্রকল্পের বিল আটকিয়ে রাখা হয়েছে ও বাকি কাজ শেষ করে বিলটি নিতে হবে।





























