
শেরপুর প্রতিনিধি :
শেরপুর পৌর এলাকার বাগরাকসা মহল্লায় আপন চাচা স্কুল শিক্ষক মো: দেলোয়ার রহমান দুলাল গং এর বিরুদ্ধে নিজ ভাতিজা আহনাফ শাকিল প্রিন্স নামে এক ব্যবসায়ীকে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে অন্তঃসত্ত্বা বোনসহ পরিবারের সদস্যদের বের করে দিয়ে বাড়ি দখলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই অসহায় পরিবারটি বাড়ির উঠোনে রাত্রি যাপন করছেন বলে জানান।
ভাতিজা প্রিন্সের দায়ের করা মামলায় দুলালকে ৩ মে রাতে পুলিশ গ্রেফতার করলে ৪ মে রবিবার রাতে চাচা দুলাল গং এর পরিবারের সদস্যরা সন্ত্রাসী কায়দায় ভাতিজার ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র বাইরে ফেলে দিয়ে তাদেরকে ঘর থেকে বের করে দেয় বলে এলাকাবাসী জানান।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, আপন চাচা দুলাল গং এর পরিবারের সদস্যরা ভাতিজা প্রিন্সের বাড়ি ঘরের সমস্ত মালামাল বাইরে বের করে দিয়ে ঘরের ভেতর থেকে তালা দিয়ে রেখেছে। ফলে ভুক্তভোগী প্রিন্স ও তার গর্ভবতী বোন ঘরে ভিতর থেকে তালা লাগানো থাকায় ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে উঠোনে খোলা জায়গায় জিনিসপত্র সহ রাত্রি যাপন করছেন।
এঘটনায় ভুক্তভোগী প্রিন্স আশঙ্কা করছেন যে কোন মুহূর্তে তারা যে কোন অঘটন ঘটিয়ে তাকে ফাঁসাতে পারেন।
বিগত ১ মে বৃহস্পতিবার রাতে চাচা দুলালের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী ভাতিজা প্রিন্সের বাড়ি ঘরে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট করে এ ঘটনায় প্রিন্স শেরপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ চাচা দেলোয়ার রহমান দুলাল কে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করছে।
ভুক্তভোগীর বক্তব্য ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বিগত ১ মে ভুক্তভোগীর আপন চাচা দেলোয়ারের নেতৃত্বে তার পরিবারের সদস্যরা ও ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে প্রিন্সের বাসায় হামলা ভাংচুর ও লুটপাট করে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।এছাড়া বসত বাড়িতে থাকা পাশের কয়েক টি ঘরে ব্যাপক ভাংচুর করে আসবাবপত্র ও বিভিন্ন মূল্যবান জিনিস ক্ষতিসাধন করে। পরে পুলিশ ওই ঘটনায় অভিযুক্তদের আটক করলেও চাচা দেলোয়ারের পরিবারের এহেন আচরণে বিপাকে পড়েছেন ভাতিজা প্রিন্স। তিনি দ্রুত বিষয়টি সঠিক তদন্ত করে বিচার দাবি করেন।
এব্যাপারে অভিযুক্তদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে ২ জন আটক থাকায় এবং কাউকে না পাওয়ায় তাদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশরাফ আলী সাথে কথা বললে তিনি জানান, অভিযোগকারীর অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়াই মামলা রজু হওয়ার পর এজহারনামীয় দুজন আসামিকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন আছে।





























