
সোহেল রানা বিশেষ প্রতিনিধি বরগুনা:
আওয়ামী লীগ নেতাদের নামে মামলা করে বিপাকে পড়েছেন বরগুনার তালতলী উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক মো. ছগির হাওলাদার।
সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুর ২টায় নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ছগির হাওলাদার বলেন, ২০২৩ সালের ৮ এপ্রিল কেন্দ্র ঘোষিত বিএনপির ইফতার মাহফিল চলাকালে তালতলীর মালিপাড়া মাদ্রাসা মাঠে আওয়ামী লীগ ক্যাডাররা আগ্নেয়াস্ত্র, রামদা ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। তারা মঞ্চ ভাঙচুর ও মালামাল পুড়িয়ে দেয়। তিনি আরও জানান, ওই ঘটনার পর বিএনপি মামলা না করলে। বরং উল্টো তাকে ১ নম্বর আসামি করে আওয়ামী লীগের নেতারা মামলা করেন।
ছগির বলেন, চলতি বছরের ৩০ জুলাই তিনি আমতলী কোর্টে আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা করলে কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা মামুন মোল্লা ক্ষিপ্ত হন। পরবর্তীতে বরগুনা শহরের পাকা ব্রিজ এলাকায় মামুন মোল্লা দলবলসহ তার পথরোধ করে গালিগালাজ করেন এবং ‘হাত-পা ভেঙে দিব’ বলে হুমকি দেন। এমনকি তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিতও করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ছগির আরও অভিযোগ করেন, বহিষ্কৃত উপজেলা বিএনপি নেতা মোস্তাকের সঙ্গে যোগসাজশে মামুন মোল্লা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা ও প্রজেক্টের সঙ্গে অবৈধ অর্থ লেনদেনে জড়িয়ে পড়েছেন। ইটভাটা থেকে ইটপ্রতি ১ টাকা হারে চাঁদা, মৎস্য অধিদপ্তর এবং তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্পে কোটি টাকার চুক্তির মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। এছাড়া ভাইজোড়া ব্রিজঘাট এলাকা থেকে সরকারি মালামাল লুটের ঘটনাও তুলে ধরেন তিনি।
ছগির হাওলাদার অভিযোগ করেন, এসব অনিয়ম ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের কারণে বরগুনার বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
নিজ দলের নেতার হাতেই নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেন। তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে আবেদন জানান, এই বিষয়ে দলীয় গোয়েন্দা দিয়ে সরেজমিন তদন্ত করে সঠিক বিচার নিশ্চিত করা হোক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মো. মামুন মোল্লা এর মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।





























