
সোহেল রানা বিশেষ প্রতিনিধি বরগুনা:
বরগুনার তালতলীতে যৌতুকের জন্য শারমিন নামের এক গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী বর্তমানে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। শারমিন এর অবস্থা গুরুত্বর বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
গত সোমবার উপজেলার কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝাড়াখালী গ্রামে শারমিন এর শ্বশুরবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত শারমিন উপজেলার বড়বগী ইউনিয়ন এর তুলাতলী গ্রামের জাফর হাওলাদারের মেয়ে ।
আহত শারমিন জানান, দক্ষিণ ঝাড়াখালী গ্রামের জাহাঙ্গীর আকন এর ছেলে শাকিব আকন এর সঙ্গে দীর্ঘদিন প্রেমের পর ভালোবাসার মানুষকে গত
২০২৪ সালের ২২ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন শারমিন । বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য পুত্র বধুকে মানসিক নির্যাতন শুরু করেন শাশুড়ী ফাহিমা বেগম ও শশুর জাহাঙ্গীর আকন। শুরুতে স্বামী শাকিব এর প্রতিবাদ করেন,এরপর তার বাবা মা বলেন আমার ছেলেকে আবার বিয়ে করাবো এরকম প্রতিনিয়ত বলার পর বরগুনার জান্নাত নামের একটি মেয়ের সাথে পরকিয়ায় জরিয়ে পরেন আমার স্বামী গত ২৪শে মার্চ শাকিবকে ব্যবসা করে দেওয়ার জন্য ৫ লাখ টাকা যৌতুক এর জন্য বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনতে চাপ দেওয়া হয় দেয়। যৌতুক না এনে দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় আমি ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকা সত্বেও আমার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। শশুর জাহাঙ্গীর আকন, শাশুড়ী শাশুড়ী ফাহিমা,ঝা শারমিন বেগম ভাসুর শাহীন আকন। মারধরে একপর্যায়ে গুরুত্বর আহত হলে । তাকে চিকিৎসকের কাছে না নিয়ে বাসায় বন্দি রাখেন। বাবার বাড়ি টাকা আনতে যাই বলে গতকাল ২৫ শে মার্চ কৌশলে বাবার বাড়ি আসি। রাতে শরীরে প্রচন্ড ব্যথা হলে পরিবারের লোকজন তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসলে ডাক্তার ভর্তি দেন।
ভুক্তভোগীর বোন সাবিনা বলেন, ‘আমার বোনকে যৌতুকের জন্য যারা নির্যাতন করেছে তাদের শাস্তি চাই।
তবে যৌতুকের কথা অস্বীকার করে মারধরের কথা স্বীকার করে স্বামী শাকিব ও শাশুড়ি ফাহিমা বেগম বলেন, শারমিনকে চড় থাপ্পড় দেওয়া হয়েছে তা ছাড়া কিছুই না।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন,এ বিষয়ে লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে হানগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





























