
আহম্মদ কবির,স্টাফ রিপোর্টারঃ
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ স্বল্প দামে টিসিবি'র পণ্য ক্রয় করতে পেরে যেন স্বস্তি ফিরে পেয়েছে।
দেশব্যাপী ভোক্তা পর্যায়ে ভর্তুকি মূল্যে এ পণ্য বিক্রি করছে সরকার। এমন কার্যক্রম সারা বছর চালু রাখার দাবী উপকার ভোগী নিম্ন আয়ের মানুষের।
সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসারের তথ্যমতে জানাযায় তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে ২হাজার ১শত ৪টি পরিবার ফ্যামেলি কার্ডে টিসিবির পণ্য ক্রয় করে থাকেন।প্রতিমাসে একবার করে এ পণ্যসামগ্রী এ ইউনিয়নে ভিন্ন ভিন্ন ডিলারগণ বিক্রি করে থাকেন।
বুধবার( ১৬এপ্রিল)শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদে সরেজমিন গিয়ে দেখাযায় শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার তাহিরপুর উপজেলা সমবায় অফিসার আশীষ আচার্য্য এর উপস্থিতিতে আখঞ্জী ট্রেডার্স ও আরফিন ট্রেডার্স এর প্রতিনিধিরা টিসিবির পণ্য বিক্রি করছেন,এইসময় কার্ডধারীদের সাথে কথা বলে জানাযায় বাজারে মসুর ডাল,সয়াবিন তেল,ও চাউলের দাম প্রতিনিয়ত বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ এখন টিসিবি'র পণ্যের জন্য অপেক্ষায় থাকেন।টিসিবির পণ্যের জন্য সকাল ৯টা থেকে ফ্যামিলি কার্ডধারী নারী ও পুরুষ আলাদা আলাদা লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন।প্রত্যেকের হাতে টিসিবির কার্ড ও চাল ডাল,তেল ও চিনি ক্রয়ের জন্য প্রত্যেকের হাতে ৫শত ৪০ টাকা। কেউ বা আবার পণ্য ক্রয় করে নিজ নিজ ব্যাগে ভর্তি করে প্রতিবেশীর জন্য অপেক্ষা করছেন।
এসময় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও একাধিক ইউপি সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
টিসিবির পণ্য ক্রয় করতে আসা শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের তছদ্দুল,ছিলানী তাহিরপুর গ্রামের আবু সায়েম,ভোরাঘাট গ্রামের প্রনয় পাল,সহ একাধিক কার্ডধারী টিসিবি'র পণ্য হাতে পেয়ে জানান বর্তমানে জিনিসের দাম অনেক বেশি সরকার আমাদের কথা চিন্তা করে এই স্বল্প দামে তেল,ডাল,ও চাল দিয়ে অনেকটা উপকার করেছে। তারা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।তারা জানান এই পণ্যগুলো বাজার থেকে ক্রয় করলে ৪শত টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হতো। এখন কোন ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই ৫শত ৪০টাকা প্যাকেজে পণ্য নিতে পেরেছেন।ক্রেতারা জানান ফ্যামিলি কার্ড চালু হওয়ায় দূর্ণীতি অনেকটা দূর হয়েছে।আগে অনেকে ৩/৪ বার পণ্য ক্রয় করে নিতো এখন আর তারা সেটি করতে পারছে না।সরকার সবসময় যেনো এই স্বল্প মূল্যে আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস প্রদান করে সরকারের কাছে এই দাবি জানান তারা।
ট্যাগ অফিসারের দায়িত্বে থাকা উপজেলা সমবায় অফিসার আশীষ আচার্য্য বলেন নির্ধারিত তারিখে নিরবিচ্ছিন্নভাবেই ডিলারের প্রতিনিধিরা সুষ্ঠু ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে ফ্যামিলি কার্ডধারীদের মধ্যে পণ্য বিক্রি করছেন। ফ্যামিলি কার্ডধারীদের মধ্যে নারী ও পুরুষ আলাদা আলাদা লাইনে দাঁড়িয়ে পণ্য ক্রয় করে নিচ্ছেন। উনি বলেন আজকে যদি কোন কার্ডধারী না আসতে পারেন আগামীকাল ইউনিয়ন পরিষদে থেকে ক্রয় করে নিতে পারবেন।



































