
মোহাইমিনুল ইসলাম উলিপুর কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের উলিপুরে খরস্রোতা নদী হিসেবে তিস্তা পরিচিত লাভ করলেও সেই তিস্তার নদীর বুকে গড়ে উঠেছে এখন সবুজের সমারোহ।
কৃষকদের চাষ করা বাদাম,আলু,পেয়াজ ভূট্টা সহ বিভিন্ন ধরনের শস্য এখন বাতাসে দোল খাচ্ছে ।
উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের বুক চিড়ে বয়ে গেছে তিস্তা নদী। বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানিতে ভরপুর থাকলেও গ্রীষ্ম মৌসুমে নদীতে জেগে ওঠা বিভিন্ন চরে বিভিন্ন রকম ফসল উৎপাদন করে থাকেন কৃষকরা।
উপজেলার দলদলিয়া,থেতরাই গুনাইগাছ ও বজরা ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া এই তিস্তা নদীর বিভিন্ন চরে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করে স্বাবলম্বী হওয়ার আশায় বুক বেধেছেন তিস্তা চরের বাসিন্দারা।
সরেজিমন গোরাইপিয়ার, হোকডাঙ্গা, জুয়ানসতরা, খারিজা লাটশালা, নাগরাকুড়া, সন্তোষ অভিরাম, সাদুয়া দামার হাট সহ বিভিন্ন চরে গিয়ে দেখা যায় কৃষকরা তাদের রোপন করা বিভিন্ন ফসলি জমির ক্ষেত পরিচর্চায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। বেশিরভাগ চরেই আবাদ করেছেন আলু, ভূট্টা, পেয়াজ ও বাদাম।
গতবারের মতো এবারো বেশি দামের আশায় অধিক হারপ আলু ও পেয়াজ চাষ করেছেন তারা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা ও ভালো পরিচর্যায় এবারও আলু, বাদাম ও পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন।
হোকডাঙ্গা চর এলাকার কৃষক এরশাদুল হক জানান, তিস্তায় এখন পানি নেই সেজন্য নিজের কিছু জমি সহ অন্য কয়েকজনের জমি লীজ নিয়ে এবার প্রায় ৩ একর জমিতে আলু চাষ করেছি। ভালো শ্রম দিয়ে পররিচর্চা করেছি। আশা করি ভালো ফলন পাবো।
একই চরের পেয়াজ চাষী জোনাব আলী জানান, গতবার তিস্তার ভাঙ্গনে আমার জমি নদী গর্ভে চলে যায়। পরে শুস্ক মৌসুমে নদী শুকিয়ে যাওয়ায় জমি বের করে পিয়াজ চাষ করেছি আশা করছি ভালো লাভ হবে। নদীর ভাঙ্গনে যে ক্ষতি হয়েছে আশা করি পিয়াজ চাষ করে সেই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবো।
গোড়াইপিয়ার চরের কৃষক সহিদুল ইসলাম জানান, নদীর জেগে ওঠা চরে আমি ১২ একর জমিতে আলু চাষ করেছি। আশা করছি এই আলো চাষ করে নদী ভাঙ্গনের ফলে যে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিলাম সেটার কিছুটা হলেও ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবো।
রোগবালাই পোকামাকড় নিধন সহ বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ।





























