
বিশেষ প্রতিনিধি
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরীক্ষা-চিকিৎসা ও মশা নিয়ন্ত্রণ- এই দুটি উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিভাগের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
বুধবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জে সরকারি দুটি হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। পরিদর্শনকালে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে যান তিনি। পরে নগরীর খানপুরে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল এবং নিতাইগঞ্জে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে যান এবং হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “ডেঙ্গু মোকাবিলায় দুটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রথমত, হাসপাতালগুলোতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জেলা, উপজেলা ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শুরু করে সব চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, মশা নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার কাজ করছে।”
তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে আজও আমাদের মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক রয়েছে। এছাড়া, মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সারাদেশের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। আমরা আশাবাদী, গৃহীত পদক্ষেপের ফলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি দ্রুত উন্নতি হবে।”
নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালটি ৫০০ শয্যায় রূপান্তরের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে জানিয়ে ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “হাসপাতালে আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনসহ উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে। সব ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা এখানে থাকবে।”
পরিদর্শনকালে নারায়ণগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মুশিউর রহমান বলেন, “ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় আমরা একটি নির্ধারিত প্রটোকল মেনে চলি। ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে থাকা আইসিইউতে ৫ থেকে ৮ হাজার প্লাটিলেটের রোগীদেরও সুস্থ করে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশে বর্তমানে ডেঙ্গু চিকিৎসায় একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রটোকল অনুসরণ করা হয়।”
এ সময় নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল বাশারসহ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





























