
মজমুল হক গঙ্গাচড়া প্রতিনিধি :
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বছরের প্রথম কালবৈশাখী ঝড়ে উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার রাত ১০ টায় ঘটে যাওয়া এই কালবৈশাখী ঝড়ে শতশত কাঁচাপাকা বাড়িঘর লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। বিপুল পরিমানে গাছপালা উপড়ে পড়েছে। বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ তার ছিড়ে গেছে। কালবৈশাখী ঝড়টি প্রায় ৩০ মিনিট স্থায়ী হয়।
রাত থেকেই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। কখন চালু হবে বলতে পারছেনা সংশ্লিষ্ট কেউই। এদিকে শতশত একর জমির ভুট্টা ও খাদ্য শস্য মাটিতে লুটে পড়েছে। উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় শতশত বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
কারও ঘর সম্পূর্ণ মাটিতে পড়ে গেছে কাহারও বা ঘরের চালা উড়ে গেছে। কাহারও বেড়া ভেঙে গেছে। আম, কাঠাল সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা ভেঙে গেছে ও উপড়ে পড়েছে।
উত্তর কোলকোন্দ গ্রামের লিঠনের প্রায় ১ একর জমির ভুট্টা মাটিতে লুটে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও বিভিন্ন ইউনিয়নের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ফুটে উঠেছে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে শনিবার রাতের কালবৈশাখী ঝড়ে প্রায় ১ হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ হাসান মৃধাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ভুক্তভোগি পরিবারের খোঁজ খবর নেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোলকোন্দে একটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজ নিতে গিয়ে বলেন প্রাথমিকভাবে উপজেলায় প্রায় ১হাজার পরিবারের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওযার খবর পাওয়া গেছে। রাস্তা -ঘাটেও গাছপালা ভেঙে পড়েছে এগুলো আমরা সড়িয়ে ফেলছি।
এসময় তিনি বলেন প্রাথমিকভাবে আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের ঢেউটিন, শুকনা খাবার ও চাল দিচ্ছি। এরপর ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে তাদের পূনর্বাসনের ব্যাবস্থা করা হবে।




































