
সফিকুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টারঃ
পঞ্চমীতে বোধন এবং ষষ্ঠী তিথিতে আমন্ত্রণ-অধিবাস ও ষষ্ঠীবিহিত পূজার মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসব। আজ মহাসপ্তমী। ষষ্ঠী থেকে দূর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও আজ থেকেই মূল পূজা শুরু। তাই কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার সকল মন্ডপে মন্ডপে চলছে নানা ধর্মীয় আচার।
মূলত, এই তিথি থেকেই দেবীর অন্নভোগ শুরু হয়। আজ জাগ্রত হবে দেবী দুর্গা। দশহাতে দমন করবেন সব অমঙ্গল আর অশুভকে।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটের মধ্যেই দূর্গাদেবীর নবপত্রিকা প্রবেশ, স্থাপন, সপ্তম্যাদি কল্পারম্ভ আর বিহিত পূজার মাধ্যমে মহামায়াকে জাগিয়ে তোলার কাজ শেষ হয়েছে। মন্ত্র, ধুপ আরতির মাধ্যমে হয়েছে দেবীর বন্দনা।
দেবী এবার আসছেন গজ বা হাতিতে চড়ে। হিন্দু শাস্ত্রমতে, এর অর্থ মর্ত্যলোক ভরে উঠবে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধিতে। দুর্গা যাবেন দোলায় চড়ে। দেবী দুর্গা দোলায় বা পালকিতে করে আসা বা যাওয়ার অর্থ-পৃথিবীতে মহামারি বা মড়ক, ভূমিকম্প, খরা, যুদ্ধ, অতিমৃত্যুর শঙ্কা।
মুরাদনগর পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এবছর উপজেলার মুরাদনগর থানার ও বাঙ্গরা বাজার থানার ২২ টি ইউনিয়নে মোট ১৫২টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে মুরাদনগর থানা ৮৭ টি এবং বাঙ্গরা বাজার থানায় ৬৫ টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানান, সনাতন ধর্মালম্মীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত রয়েছে। প্রতিটি পূজা মন্ডপে রয়েছে করা নজরদারি। কেউ পূজায় কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা।





























