
বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বিশিষ্ট কবি ইউসুফ ইকবাল কিডনি ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। দীর্ঘ চিকিৎসার পর বর্তমানে তিনি নগরীর হাজীগঞ্জ এলাকায় নিজ বাসভবন "আকাশ নীড়"-এ শয্যাশায়ী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
ইউসুফ ইকবালের দুটি কিডনি সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। প্রতি সপ্তাহে তাকে কিডনি ডায়ালাইসিস করাতে হয়। শুরুতে নারায়ণগঞ্জে ডায়ালাইসিস করা হলেও নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে এখন ঢাকার মিরপুর ২ নম্বর কিডনি হাসপাতালে এই চিকিৎসা করানো হচ্ছে। তাছাড়া পরপর দুবার ব্রেন স্ট্রোক করায় তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটেছে।
তার ছোট ছেলে এসএম হাসান ইশতিয়াক ইমরান জানান, তার বাবার খাওয়ার রুচি প্রায় নেই। জোর করেও খাবার খাওয়ানো কঠিন হয়ে পড়ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ধৈর্য ও নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হতে পারে।
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখ সমরে অংশ নেওয়া ইউসুফ ইকবাল শুধু একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা নন, তিনি একজন কবি, সংস্কৃতিসেবী ও সমাজসেবক।
ইউসুফ ইকবালের বড় মেয়ে সাইদা সানজিদা ইলা একজন কবি ও শিক্ষক। ছোট ছেলে এস এম হাসান ইশতিয়াক ইমরান রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের প্রভাষক। তার ছোট ভাই নাফিজ আশরাফ একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক।
এই ক্রান্তিকালে ইউসুফ ইকবালের পরিবারের পক্ষ থেকে তার রোগমুক্তির জন্য সবার কাছে আন্তরিক দোয়া চাওয়া হয়েছে। পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীরা তার চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
শুক্রবার বিকেলে সামাজিক সংগঠন ‘বিবর্তন’-এর কার্যকরী পরিষদের সদস্যরা সংগঠনের অন্যতম সদস্য ইউসুফ ইকবালের বাসায় যান। প্রতিনিধি দলে ছিলেন ইউসুফ আলী এটম, মোখলেছুর রহমান, জাহিদুল হক খোকন, নাসিম আফজাল, দুলাল হোসেন, সুমিত বড়ুয়া, আউয়াল মেম্বার, মানস সাহা বাপ্পী এবং পারভীন সুলতানা চম্পা।
এ সময় ইউসুফ ইকবাল শয্যা থেকে উঠে বিছানায় বসে হাসিমুখে সবাইকে অভ্যর্থনা জানান।





























