
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) তরলিকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন মূল্য প্রতি মাসেই ঘোষণা করে। কিন্তু বিইআরসির ঘোষিত এ মূল্য কেউ মানছে না। ক্রেতাদের বাড়তি মূল্যই পরিশোধ করতে হচ্ছে।
গত মাসের শুরুতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪১ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৭৪ টাকা করা হয়েছিল। কিন্তু বাজারে কোনো কোম্পানির গ্যাসই এ দামে পাওয়া যায়নি। সর্বনিম্ন ১ হাজার ৬০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে গতকাল আবারও ৮ টাকা বাড়িয়ে দাম ১ হাজার ৪৮২ টাকা পুনর্নির্ধারণ করেছে বিইআরসি। নতুন এ দর গতকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।
রোববার (৩ মার্চ) বিইআরসি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন এ দর ঘোষণা করেন বিইআরসির চেয়ারম্যান মো: নূরুল আমিন।
তবে গতকালই রাজধানীর রামপুরা, বনশ্রী ও এর আশপাশের কয়েকটি এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাজারে কোনো কোম্পানির ১২ কেজি এলপি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৬০০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না।
বনশ্রী এফ ব্লকের ৫ নং রোডের এক বিক্রেতা জানান, বেক্সিমকো ছাড়া ওমেরা, ওরিয়নসহ তার কাছে থাকা বিভিন্ন কোম্পানির ১২ কেজি সিলিন্ডার বিক্রি করছেন ১ হাজার ৬০০ টাকা। আর বেক্সিমকো ১২ কেজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭০০ টাকা।
মেরাদিয়া মধ্যপাড়ার এক বিক্রেতা জানান, বসুন্ধরার এলপি গ্যাসের সরবরাহ অনেক দিন যাবৎ বন্ধ। বেক্সিমকো ১২ কেজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৭০০ টাকা, আর অন্য কোম্পানিগুলোর ১২ কেজি বোতল বিক্রি করতে হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ টাকা।
বিইআরসির বেঁধে দেওয়া দামের বিষয়ে ওই বিক্রেতা জানান, তাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে।
বিইআরসির নতুন দর অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির মূল্য সংযোজন করসহ (মূসক/ভ্যাটসহ) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি প্রায় ১২৩ টাকা ৫২ পয়সা, যা গত মাসে ছিল ১২২ টাকা ৮৬ পয়সা। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে।
তবে বিইআরসির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সেসব বিক্রেতার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, ভবিষ্যতেও নেওয়া হবে।







































