
বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ৩ ধাপ অবনমন হয়ে এবার ৮৪তম অবস্থানে নেমেছে বাংলাদেশ। স্কোরে উন্নতি করলেও অন্য দেশগুলো থেকে পিছিয়ে পড়েছে। গত বছর ১৯ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৮১তম। তবে চলতি বছর ১২৭টি দেশের মধ্যে অবস্থান ৮৪তম, স্কোর ১৯.৪।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স (জিএইচআই) এ সূচক প্রকাশ করেছে।
অবশ্য “মধ্যম” মাত্রার ক্ষুধার দেশ হিসেবে শ্রেণিকৃত বাংলাদেশে ২০১৬ সালের চেয়ে ক্ষুধার মাত্রা কমেছে; সে বছর স্কোর ছিল ২৪.৭।
সূচক বলছে, বাংলাদেশে ক্ষুধার মাত্রা মধ্যম পর্যায়ে। ক্ষুধা সূচক ১০ থেকে ১৯.৯ এর মধ্যে থাকলে ওই দেশ “মাঝারি মাত্রার” ক্ষুধা আক্রান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। সে হিসেবে বাংলাদেশ মাঝারি অবস্থানে রয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে এখনো ১১.৯% মানুষ অপুষ্টির শিকার। আর ২.৯% শিশু তার ৫ম জন্মদিনের আগেই মৃত্যুবরণ করে। অপুষ্টির কারণে ৫ বছরের কম বয়সী ২৩.৬% শিশুর বয়স অনুপাতে উচ্চতা বাড়ছে না। এ ছাড়া ৫ বছরের কমবয়সী ১১% শিশুর উচ্চতা অনুযায়ী ওজন বাড়ছে না বলেও উল্লেখ করা হয় সূচকে।
অপুষ্টির হার, ৫ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে উচ্চতার তুলনায় কম ওজনের শিশুর হার, ৫ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে কম উচ্চতার শিশুর হার, ৫ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার - এই ৪টি মাপকাঠিতে প্রতিটি দেশের পরিস্থিতি বিচার করে তৈরি হয় গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স (জিএইচআই) বা বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক।
এবারের ক্ষুধা সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শ্রীলঙ্কার অবস্থান ৫৬তম। নেপালের অবস্থান ৬৮তম। এর পরেই রয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের অবস্থান ১০৫ আর পাকিস্তানের অবস্থান ১০৯তম। এ বছরের ক্ষুধা সূচক বলছে, দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষুধার মাত্রা গুরুতর। কারণ এই অঞ্চলে রয়েছে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অপুষ্টি। দক্ষিণ এশিয়ার ২৮২ মিলিয়ন মানুষ অপুষ্টির মধ্যে আছে।
এই সূচকে সবচেয়ে ভালো স্কোর হলো শূন্য। আর সবচেয়ে খারাপ স্কোর হলো ১০০ পয়েন্ট। স্কোর বাড়লে ক্ষুধা পরিস্থিতির অবনতি, আর কমলে পরিস্থিতির উন্নতি।







































