শিরোনাম
‎ধুনটে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত আখাউড়ায় বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে হাজারীর নির্বাচনী গন সংযোগ ও ওঠান বৈঠক আওয়ামীলীগের উচিত ভারতের প্রত্যেকটি রাজ্যে অফিস খুলে ভারতের নাগরিকত্ব গ্রহণ করে সেখানে থাকা - মেজর হাফিজ আগামীর আনোয়ারা–কর্ণফুলী হবে চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্র শ্রীপুর উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত আগামীকাল লাকসামে জামায়াত আমিরের জনসভা মুরাদনগর বাখরাবাদে কায়কোবাদের নির্বাচনী গণসংযোগ নোয়াখালী-১ আসনে বিজয়ের লক্ষ্যে চাটখিলে ১১ দলীয় জোটের সমন্বয় সভা চর কচ্ছপিয়া কো-ইড স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে মুরাদনগরে বিক্ষোভ
শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি ২০২৬

দ্য ইকনোমিস্টের দৃষ্টিতে ড. ইউনূসের ৩ চ্যালেঞ্জ

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ আগস্ট ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ আগস্ট ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

৫ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ঢাকায় বিচার হওয়ার কথা ছিল। একটি দুর্নীতি মামলায় তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারত। তবে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে তার ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায়। বিচারের মুখোমুখি হওয়ার পরিবর্তে নোবেল বিজয়ী, অর্থনীতিবিদ এবং সামাজিক উদ্যোক্তা ড. ইউনূস বাংলাদেশের সেনা-সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান নিযুক্ত হন। তবে অস্থিতিশীল এই সময়ে বাংলাদেশকে নতুন করে গড়তে অনেক কাঠ-খড় পোড়াতে হবে তাকে। ড. ইউনূস যে প্রধান ৩টি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবেন তা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সাপ্তাহিক পত্রিকা দ্য ইকনোমিস্ট।


কয়েক সপ্তাহের ছাত্র আন্দোলনের পর প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ত্যাগ শেখ হাসিনা। আন্দোলন চলাকালীন রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সহিংস দমন-পীড়ন শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ থেকে সরাতে পারেনি। ঢাকার রাস্তায় সশস্ত্র সেনা এবং পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। আন্দোলনের পর শিক্ষার্থীরা এখন নিজ দায়িত্বে সড়তে ট্রাফিক পরিচালনা করছে এবং সংসদসহ লুটপাট করা ভবনগুলো পরিষ্কার করেছে। এক রাতের ব্যবধানে বছরের পর বছর ধরে চলা স্বৈরাচারী শাসন এখন পুনরায় গণতন্ত্রে রূপ নেবে আশা দেশবাসীর।


সেই আশা কি পূরণ হবে?


বাংলাদেশে সাংবিধানিক শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করাটা অনেকাংশেই কঠিন হবে। এর একটি কারণ হতে পারে, শেখ হাসিনার আকস্মিক পলায়নের ফলে দেশে নেতৃত্বের যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে সেটি পূরণ করা। এই শূন্যতা কে পূরণ করবেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। তার আওয়ামী লীগ দল এখন কুখ্যাত হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। হাসিনার পদত্যাগের পরপরই কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর নেত্রী খালেদা জিয়া। তবে ৭৮ বছর বয়সী এই নেত্রী বর্তমানে অসুস্থ এবং শেখ হাসিনার আমলে তার দল বিএনপি একেবারে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে দেশের রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করেছিল বিএনপি।


সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ববাদী শাসন বাংলাদেশে নতুন এবং আরও উদারপন্থি শক্তির উত্থানকে বাধা দিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসলামপন্থি দলগুলো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। তারাও এখন নেতৃত্বের এই শূন্যস্থান পূরণ করতে চাইতে পারে। তবে এই চ্যালেঞ্জটি আরও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেননা, বাংলাদেশ এখন চীন, ভারত এবং পশ্চিমাদের মধ্যে একটি ভূ-রাজনৈতিক রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।


তবে প্রাথমিকভাবে আশা জাগানিয়া কিছু লক্ষণ দেখা গেছে। প্রধানমন্ত্রী ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর সংযম দেখিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ওইদিনই সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি দেন। পরের দিন ড. ইউনূসকে তত্ত্বাবধায়ক প্রশাসনের নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের দাবির কাছে মাথা নত করেন তিনি।


প্রথম চ্যালেঞ্জ


দ্য ইকোনমিস্টের মতে, ৮ আগস্ট প্রত্যাশিতভাবে শপথ নেওয়ার পর ড. ইউনূসের প্রথম কাজ হবে দেশে আবার শান্তিপূর্ণ রাজনীতি নিশ্চিত করা। দেশের সরকারি চাকরিতে কোটার সংস্কার চেয়ে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল। জুলাই মাসে শুরু হওয়া এই আন্দোলনে ছাত্ররা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের বংশধরদের সব ধরনের সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ কোটার বিরোধিতা করেছিলেন। প্রতিবাদকারীরা যুক্তি দেখিয়েছিলেন, এই সিস্টেম মূলত আওয়ামী লীগের সদস্যদেরই উপকারে এসেছে। বিক্ষোভকারীদের দমনের চেষ্টায় সহিংসতার আশ্রয় নিয়েছিল সরকার। এই আন্দোলনে শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।


আন্দোলনের তোপের মুখে অবশেষে কোটা বাতিলে ঘোষণা দেয় আদালত। তবে তখন অনেক দেরী হয়ে গিয়েছিল। ইতোমধ্যেই কোটা সংস্কারের আন্দোলন বছরের পর বছর ধরে চলা শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনে অতিষ্ট জনগণের হতাশাকে উস্কে দিয়েছিল। চলতি সপ্তাহের শুরুতে তার বাসভবনে ভাংচুর এবং পুলিশ স্টেশন ও আওয়ামী লীগ মন্ত্রীদের বাড়িতে হামলার ঘটনাগুলো প্রতিবাদকারীদের ক্ষোভেরই প্রতিফলন। অব্যাহত এই অশান্তির ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ৭ আগস্ট দেশবাসীকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানান ড. ইউনূস। দেশবাসীর ‍উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনার শান্ত থাকুন এবং আপনার চারপাশের মানুষদের শান্ত থাকতে সহযোগিতা করুন।’


দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ


ড. ইউনূসের পরবর্তী কাজ হবে বাংলাদেশের রাজনীতির পুনর্গঠন করা। আর এর জন্য শুধু দ্রুত নতুন নির্বাচনের আয়োজনই যথেষ্ট নয়। তাকে আরও বেশি কিছু করতে হবে। দেশের আদালত ও অন্যান্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে মেরামত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাব কমাতে হবে। দীর্ঘদিন ধরেই সেগুলো অস্থিরতার উৎস হিসেবে কাজ করছে। একইসঙ্গে নতুন রাজনৈতিক দলগুলোকে সংগঠিত হওয়ার জন্য সময় ও সুযোগ দিতে হবে। এই পদক্ষেপগুলো ছাড়া একটি নতুন নির্বাচন সহজেই ইসলামপন্থি গোষ্ঠী বা একটি পুনর্গঠিত বিএনপির পক্ষে যেতে পারে। তবে এই শক্তিগুলোও দলকেন্দ্রিতায় ভুগছে।


তৃতীয় চ্যালেঞ্জ


ড. ইউনূসের জন্য তৃতীয় বড় চ্যালেঞ্জ হল একটি জটিল ভূ-রাজনৈতিক ক্ষেত্র তৈরি করা। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রতিবেশী দেশ ভারত সম্ভাব্য ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার সবচেয়ে বড় উৎস। আওয়ামী লীগের সঙ্গে দেশটির একটি ঘনিষ্ঠ ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। আওয়ামী লীগকে এই অঞ্চলে ইসলামপন্থিদের বিরুদ্ধে একটি ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি হিসেবে দেখে ভারত। গত এক দশকে দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব থেকে সতর্ক হয়ে ভারত শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে বাণিজ্য, জ্বালানি ও সামরিক সম্পর্ক সম্প্রসারিত করেছে। নির্বাসনে যাওয়া ‘আয়রন লেডি’ হিসেবে পরিচিত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্বেষী বাংলাদেশী জনসাধারণের মুখোমুখি হয়েছে ভারত। এই জনতার অনেকেই তাকে আর সমর্থন করেন না। এছাড়া, নিজ দেশে ভারত বাংলাদেশে  অবস্থান করা আনুমানিক ১০ হাজার ভারতীয় নাগরিক এবং সেইসঙ্গে সেখান বসবাসকারী ১ কোটি ৪০ লাখ হিন্দু সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় সহায়তা করার জন্য চাপের মধ্যে রয়েছে।


প্রকৃতপক্ষে, আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তার জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং যেকোনও উত্তরসূরি শেখ হাসিনার চেয়েও বেশি চীনের দিকে ঝুঁকতে পারে। এমন না যে তিনি চীনের প্রতি বিরূপ ছিলেন। তার শাসনামলে চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার, দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগকারী, তৃতীয় বৃহত্তম ঋণদাতা এবং সামরিক প্রযুক্তির প্রধান উৎস হয়ে ওঠে। তবুও, চীনের ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল না হওয়ার জন্য ভারত ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে সতর্ক ছিলেন শেখ হাসিনা।


আরও খবর




‎ধুনটে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

আখাউড়ায় বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে হাজারীর নির্বাচনী গন সংযোগ ও ওঠান বৈঠক

ফ্যাসিবাদী আমলের ৩১ দফা দিয়ে রাষ্ট্র সংসারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কিন্তু ৫ আগস্টের পর দেখলাম তাদের সেই প্রতিশ্রুতি নেই ....... নাহিদ ইসলাম

সুনামগঞ্জ–১: ভোটের ময়দানে শেষ হাসি কার—কামরুল না তোফায়েল?

আওয়ামীলীগের উচিত ভারতের প্রত্যেকটি রাজ্যে অফিস খুলে ভারতের নাগরিকত্ব গ্রহণ করে সেখানে থাকা - মেজর হাফিজ

আগামীর আনোয়ারা–কর্ণফুলী হবে চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্র

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরায় ৩৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন- লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান

ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) আসনের প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

রূপগ‌ঞ্জে আব্দুর রাজ্জাক ও রওশন আরা স্মৃতি ফাউন্ডেশনের গুণী সংবর্ধনা

ধর্মপাশা উপজেলার জয়শ্রী বাজারে বিএনপির নির্বাচনী পথ সভায়- প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল

‎গাংনীর জোড়পুকুরিয়াতে বিএনপির নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত

শ্রীপুর উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

আগামীকাল লাকসামে জামায়াত আমিরের জনসভা

মুরাদনগর বাখরাবাদে কায়কোবাদের নির্বাচনী গণসংযোগ

নোয়াখালী-১ আসনে বিজয়ের লক্ষ্যে চাটখিলে ১১ দলীয় জোটের সমন্বয় সভা

ব্যবসায়ীর চোখ উপড়ে ও লিঙ্গ কর্তন করে হত্যা

জামালগঞ্জে ডেবিল হান্ট অপারেশনে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

সিংড়া উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত অধ্যক্ষ রকিবুল ইসলাম

কক্সবাজারে অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: মাঠে নেমেছেন আপেল মাহমুদ

ঘাটাইলে শীতে খেজুর রস খেয়ে তৃপ্তি পাচ্ছে রসপ্রেমীরা

মনোনয়ন বৈধ হলেও ধোঁয়াশা: সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী ঘিরে আলোচনা

আখাউড়ায় খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে বিএনপির এমপি প্রার্থী কবির আহমেদ

সেনবাগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ ফার্মেসি মালিককে জরিমানা

সেনবাগ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক বেলাল হোসেন শামীম

শিকারীদের জন্য সতর্কবার্তা: টাঙ্গুয়ার হাওরে তিনজন আটক

স্বতন্ত্র প্রার্থী সিগমার শোডাউনে কারণে আতঙ্কে কোমলমতি শিশু ও বৃদ্ধারা

নাইয়ারা দেশ প্রবাস উন্নয়ন ফোরামের চতুর্থ মেয়াদের কমিটি অনুমোদন

রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের পারিবারিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গুয়ার হাওরের সংরক্ষিত এলাকায় বিষটোপের ছোবল,পাখি নিধনের করুণ চিত্র

গঙ্গাচড়ায় দল বদলের হাওয়া,আওয়ামী লীগ ছেড়ে বিএনপিতে ১২ নেতা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ, পদ্মা ব্যারেজ ও বরেন্দ্র প্রকল্প চালুর প্রতিশ্রুতি

সাংবাদিকদের কার্ড জটিলতা: রবিবারের মধ্যে সমাধানের আল্টিমেটাম

২২ বছর পর রাজশাহীতে পা রাখলেন তারেক রহমান

নির্বাচন ঘিরে নাশকতা ঠেকাতে সতর্ক নিরাপত্তা বাহিনী

নির্বাচনি মাঠে প্রতিশ্রুতি ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগে ব্যস্ত ঢাকার বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা

জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে : প্রধান উপদেষ্টা

নিম্নআয়ের মানুষের ​স্থায়ী পুনর্বাসন করার অঙ্গীকার আমিনুল হকের

এনজিওগুলোর মতো, না রাজনৈতিক সরকারের মতো কাজ করছি বুঝছি না

নিয়োগ সুপারিশ পেলেন সাড়ে ১১ হাজার প্রার্থী, খালি থাকছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের অর্ধলক্ষাধিক পদ

দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক আনিস আলমগীর