শিরোনাম
ঝিনাইগাতী সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নিহত ঝিনাইগাতীতে ফের জামায়াত- বিএনপির সংঘর্ষ কায়কোবাদের নির্বাচনী গণসংযোগে জনতার ঢল ভারত চায় না আমরা সুখে শান্তিতে থাকি-মেজর হাফিজ ফ্যাসিবদামুক্ত দেশ গড়তে 'হ্যাঁ' ভোটকে বিজয়ী করতে হবে,ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসিফ মাহমুদ বেতাগাঁও বায়তুল মামুর নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে তাফসির মাহফিল অনুষ্ঠিত নাঙ্গলকোট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত শাজাহানপুর জগন্নাথপুর দাখিল মাদ্রাসায় বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত গণভোট ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে নীলফামারীতে জেলা ইমাম সম্মেলন নির্বাচিত সরকার গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করবে - মেজর হাফিজ
বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৬

সংবিধানের পরিবর্তন না হলে আরও বড় স্বৈরাচার আসবে!

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হিসেবে সংবিধান সংস্কারের জন্য ড. শাহদীন মালিককে প্রধান করে একটি কমিশনের ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বলছেন, গণবিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য স্বৈরাচার আমলে ব্যাপক কাটা ছেড়ার শিকার হওয়া সংবিধানের পুনর্লিখন প্রয়োজন। সংবিধানের মৌলিক কাঠামোতে পরিবর্তন আনা না গেলে, ভবিষ্যতে আরও বড় স্বৈরাচার ফিরে আসার শঙ্কাও করছেন তারা। কিন্তু অনির্বাচিত একটি সরকারের নেতৃত্বে এই সংস্কার কতটা সম্ভব?


সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সংবিধান সংশোধন করা হয়। আর সেই সংবিধানের দোহাই দিয়ে তিন-তিনটি এক তরফা নির্বাচন হয়েছে। সংবিধান আর নির্বাচন ব্যবস্থার এই যে পরিবর্তন সেটাও আওয়ামী লীগকে স্বৈরশাসক হওয়ার পথ তৈরি করে দিয়েছে বলেই মনে করা হয়।


২০১১ সালে সর্বোচ্চ আদালত বাতিল করে দেয়, তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থা সম্পর্কিত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই সংবিধান সংশোধন করে ফেলে আওয়ামী লীগ। সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জেরে তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে সংবিধানে ফিরিয়ে আনে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন পদ্ধতি।


ছাত্র-জনতার বিপ্লবে যখন কর্তৃত্ববাদী সে শাসনামলের পতন ঘটেছে তখন রাষ্ট্র সংস্কারের আলোচনার সঙ্গে দাবি উঠেছে সেই সংবিধান পুনর্লিখনের। কিন্তু প্রশ্ন হলো যেখানে, সংশোধনের সুযোগ আছে, সেখানে পুনর্লিখন কেন?


রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, 'পুনর্লিখনের প্রশ্নটা এসেছে তিনটি কারণে। প্রথমটা হচ্ছে, বাংলাদেশে এখন যে বিরাজমান সংবিধান আছে ১৭টি সংশোধনীর পর, দেখা যাচ্ছে এর মধ্যে দিয়ে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার পথ খুব সহজ। শুধু সহজই না, এই সংবিধান স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার পথই খুলে দেয়। দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে, সংবিধান এখন যেভাবে আছে সেখানে তার এক-তৃতীয়াংশতে হাত দেয়ার জায়গা নেই।'


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. নকিব মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ বলেন, 'অ্যামেনমেন্ডের থেকে রিলাইটি ভালো। কারণ অ্যামেনমেন্ড করলে এদের স্পিডটা প্রসিউড হচ্ছে না। এই বিপ্লবের স্পিডটা প্রসিউড হচ্ছে না। অনেকেই বলে যে না, এমন কোনো ফর্ম রাখা যাবে না যে ফর্মে আওয়ামী লীগ আছে।'


বস্তুত, প্রায় ১৭ বছরের একনায়ক শাসনামলে সব মিলিয়ে চারটি সংশোধনী আনে আওয়ামী লীগ। এবং এর মাধ্যমে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয় সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ও সাধারণ কাঠামোতে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা পুনর্লিখনের ব্যাপারে যে কারণে জোর দিচ্ছেন, তার অন্যতম কারণ গণবিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য যে ধরনের পরিবর্তন দরকার সংবিধানে তার সুযোগও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে আগের আমলে সংবিধানের নানা ধরনের কাটা ছেড়ার মাধ্যমে।


যেমন, সংবিধানের প্রথম ভাগের ৭(খ) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধানের মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হবে। এবং ৭ এর ক-তে বলা হয়েছে, 'কোনো ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোনো অসাংবিধানিক পন্থায় এই সংবিধান বা এর কোনো অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করলে কিংবা সেটি করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করলে তার এই কাজ রাষ্ট্রদ্রোহিতা হবে এবং ওই ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হবেন।'


অধ্যাপক ড. নকিব মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ বলেন, 'একটা সংবিধান পরিবর্তনের ধারা যদি না থাকে তাহলে তো হবে না।'


বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের ব্যারিস্টার মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, 'সংস্কার করতে হলে রাষ্ট্রের যে সুপ্রিম আইন বা সংবিধান আছে, সেটাকে রিফর্ম করা জরুরি। যেহেতু অনেককিছু এসেছে সেজন্য অনেককিছু সংযোজন করতে হবে। এতো অ্যামেনমেন্ডের আর দরকার নেই। পুনর্লিখন করলে এটা সহজ হবে।'


কিন্তু সংবিধানে সংযোজন কিংবা বিয়োজনের অধিকার তো আইনসভা বা সংসদ দ্বারা সীমাবদ্ধ। এমন অবস্থায় পুনর্লিখন কীভাবে সম্ভব?


অধ্যাপক ড. নকিব মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ বলেন, 'এই যে রক্ত, এটা কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের রক্ত না। এটা কোনো রাজনৈতিক ব্যানারের রক্ত না। এটা আপামর জনতার রক্ত, সবাই রাস্তায় নেমে এসেছে। সেজন্য এটাকে বিপ্লব হিসেবে আখ্যা দেয়া যায়। অর্থাৎ অভ্যুত্থানের পরবর্তী অবস্থাতে নতুন করে সবিধান লেখা দরকার।'


মোটা দাগে বিশ্লেষকরা যে তিনটি পদ্ধতির কথা বলছেন, তাতে ১৯৭২ সালে সংবিধান লেখার জন্য গঠিত গণপরিষদের আলোকে আরেকটি গণপরিষদ বা কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলি, সব রাজনৈতিক দল ও পক্ষগুলোকে ডেকে কনস্টিটিউশন কনভেনশন কিংবা আলোচনার ভিত্তিতে পুনর্লিখনের ব্যাপারটি আলোচনা হচ্ছে। এক্ষেত্রে গণভোট নেয়া হবে কি না, এ নিয়ে মতপার্থক্য আছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।


অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, 'যে তিনটি পথ বলেছি, প্রতিটির বিষয়ে প্রধান বিষয় হলো গণভোট করতে হবে। প্রতিটি মানুষ যেন বলতে পারেন যে তারা এটা পছন্দ করছেন বা করছেন না। ‌এই আলোচনা সবাইকে করতে হবে। তারপর তারই একটা প্রতিফলন হয়তো আমরা দেখতে পাবো। আর এখানে অবশ্যই রাজনৈতিক দলগুলো কোনো না কোনোভাবে সংযুক্ত করতে হবে। কারণ রাজনীতি তো রাজনৈতিক দলগুলোই করবে। অন্তর্বর্তী সরকার তো অন্তর্বর্তী সরকার। দেশ শেষ পর্যন্ত শাসন করবে রানৈতিক দলগুলো।'


এসব বিশ্লেষকদের কথায় এটা স্পষ্ট, গণবিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য তারা বিরাজমান সংবিধানের একটা আমূল পরিবর্তন চাইছেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো শপথ নেয়া থেকে শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার আগের সংবিধান অনুসরণ করেই চলছে। যদিও এরই মধ্যে আগের সংবিধানের কয়েকটি আইন রহিত করে কয়েকটি অধ্যাদেশ জারি করেছেন বর্তমান রাষ্ট্রপতি, যেগুলো আইন আকারে বৈধতা না দিলে আবার ফিরে আসার সুযোগ রয়েছে। প্রশ্ন ছিল, যদি শেষমেষ সংবিধানের যে আমূল পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে, সেটি যদি না হয়, তাহলে কী হবে?


অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, 'সংবিধানের পুনর্লিখন ব্যবস্থা না করা গেলে বাংলাদেশ বৃত্তের মতো আরও ভয়াবহ এক স্বৈরাচারের কবলে পড়বে।'


এখন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে সংবিধান পুনর্লিখনের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো রূপরেখা প্রকাশ করা হয়নি। তাই পুনর্লিখন না সংশোধন, গণপরিষদ না গণভোট নাকি কোনোটাই নয়, এসব ব্যাপারগুলো নিশ্চিত হতে অপেক্ষা করতে হবে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত বা ঘোষণার জন্য। 


আরও খবর




ঝিনাইগাতী সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নিহত

এম.এ.শহীদের প্রত্যাবর্তনে তৃণমূলে প্রাণচাঞ্চল্য: মধ্যনগরে বিএনপি নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস

শরণখোলার ধানসাগর ইউনিয়নে বিএনপির আয়োজনে ধানের শীষের পক্ষে জনসভা অনুষ্ঠিত

মান্দায় আগামী সংসদ নির্বাচনে জামায়তের বিজয় নিশ্চিত ইনশাআল্লাহ-খ.ম আব্দুর রাকিব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সাতক্ষীরায় বিজিবির যৌথ টহল জোরদার

পঞ্চগড়ে জনগুরুত্বপূর্ণ মামলায় সামারি ট্রায়াল শুরু, ৩ জনের কারাদণ্ড

ঝিনাইগাতীতে ফের জামায়াত- বিএনপির সংঘর্ষ

কায়কোবাদের নির্বাচনী গণসংযোগে জনতার ঢল

ভারত চায় না আমরা সুখে শান্তিতে থাকি-মেজর হাফিজ

ফ্যাসিবদামুক্ত দেশ গড়তে 'হ্যাঁ' ভোটকে বিজয়ী করতে হবে,ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসিফ মাহমুদ

বেতাগাঁও বায়তুল মামুর নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে তাফসির মাহফিল অনুষ্ঠিত

নাঙ্গলকোট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

শাজাহানপুর জগন্নাথপুর দাখিল মাদ্রাসায় বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

গণভোট ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে নীলফামারীতে জেলা ইমাম সম্মেলন

কেন্দুয়ায় ইসলামী আন্দোলনের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

ব্যবসায়ীর চোখ উপড়ে ও লিঙ্গ কর্তন করে হত্যা

জামালগঞ্জে ডেবিল হান্ট অপারেশনে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

সিংড়া উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত অধ্যক্ষ রকিবুল ইসলাম

কক্সবাজারে অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: মাঠে নেমেছেন আপেল মাহমুদ

ঘাটাইলে শীতে খেজুর রস খেয়ে তৃপ্তি পাচ্ছে রসপ্রেমীরা

মনোনয়ন বৈধ হলেও ধোঁয়াশা: সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী ঘিরে আলোচনা

আখাউড়ায় খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে বিএনপির এমপি প্রার্থী কবির আহমেদ

সেনবাগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ ফার্মেসি মালিককে জরিমানা

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কমনওয়েলথ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের শোক

সেনবাগ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক বেলাল হোসেন শামীম

স্বতন্ত্র প্রার্থী সিগমার শোডাউনে কারণে আতঙ্কে কোমলমতি শিশু ও বৃদ্ধারা

শিকারীদের জন্য সতর্কবার্তা: টাঙ্গুয়ার হাওরে তিনজন আটক

নাইয়ারা দেশ প্রবাস উন্নয়ন ফোরামের চতুর্থ মেয়াদের কমিটি অনুমোদন

চলমান সংকট নিরসনে তৌহিদ ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের বিকল্প নেই শীর্ষক কর্মী সম্মেলন

রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের পারিবারিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত


এই সম্পর্কিত আরও খবর

নির্বাচন ঘিরে নাশকতা ঠেকাতে সতর্ক নিরাপত্তা বাহিনী

নির্বাচনি মাঠে প্রতিশ্রুতি ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগে ব্যস্ত ঢাকার বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা

জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে : প্রধান উপদেষ্টা

নিম্নআয়ের মানুষের ​স্থায়ী পুনর্বাসন করার অঙ্গীকার আমিনুল হকের

এনজিওগুলোর মতো, না রাজনৈতিক সরকারের মতো কাজ করছি বুঝছি না

নিয়োগ সুপারিশ পেলেন সাড়ে ১১ হাজার প্রার্থী, খালি থাকছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের অর্ধলক্ষাধিক পদ

দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক আনিস আলমগীর

দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে: তারেক রহমান

নির্বাচনে লেভেলে প্লেয়িং ফিল্ড নেই: নাহিদ ইসলাম

নীরব এলাকা বাস্তবায়নে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে: রিজওয়ানা হাসান