
জীবনানন্দের সেই কার্তিকের আজ প্রথম দিন। আজ পয়লা কার্তিক, হেমন্তের শুরু। কার্তিক ও অগ্রহায়ণ-এই দুই মাস নিয়ে চিরায়ত হেমন্তকাল, বাংলা পঞ্জিকাবর্ষের চতুর্থ ঋতু। শীতের আগমনি বার্তা নিয়ে ধীর পায়ে প্রকৃতিতে আসে হেমন্ত। নাতিশীতোষ্ণ এই আবহাওয়া বছরের সবচাইতে স্বস্তির সময়।
ইতোমধ্যে দেশের উত্তরের জনপদে নামতে শুরু করেছে শীত। সন্ধ্যার পর থেকেই আকাশ মেঘলা হওয়ার পাশাপাশি রাতভর ঝরছে হালকা কুয়াশা। ঘাসের ওপর জমে থাকে নরম শিশির। তাপমাত্রা নেমে এসেছে ২২-২৪ ডিগ্রিতে।
এক সময় হেমন্তের প্রথম মাসটি ছিল অনটনের। ফসল হতো না। আমন ধান কাটা শুরু হয় মূলত কার্তিকের শেষে, অনেকটা অগ্রহায়ণজুড়ে। তাই অগ্রহায়ণ পুরোপুরি ধান কাটার মাস। মাঠে, কৃষকের বাড়িতে থাকে নতুন ধানের ঘ্রাণ। এ সময়েই সূচনা হয় নবান্ন উৎসবের।
হেমন্তকে ভ্রমণেরও মাসও বলা হয়। এই সময়টাতে অনেকেই পরিবার নিয়ে ঘুরতে বের হন। তিন পার্বত্য জেলায় ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করছে প্রশাসন। তাই চায়ের দেশ সিলেট আর সাগরকন্যা কুয়াকাটা ও কক্সবাজারকে এখন করতে হচ্ছে প্রধান গন্তব্য।
হেমন্তকালে খাবারের খোঁজে দূর দেশ থেকে আমাদের এই জনপদে আসে লাখ লাখ পরিযায়ী পাখি। এই পরিযায়ী পাখিরা আমাদের হেমন্ত-শীতের মেহমান। শীত শেষে কিছু পাখি এই দেশেই থেকে যায়, সংসার করে। আর অধিকাংশ পাখিই ফিরে যায় সাত সমুদ্র তেরো নদী পারি দিয়ে ওদের জন্মভূমিতে।







































