শিরোনাম
ঝিনাইগাতীতে ফের জামায়াত- বিএনপির সংঘর্ষ কায়কোবাদের নির্বাচনী গণসংযোগে জনতার ঢল ভারত চায় না আমরা সুখে শান্তিতে থাকি-মেজর হাফিজ ফ্যাসিবদামুক্ত দেশ গড়তে 'হ্যাঁ' ভোটকে বিজয়ী করতে হবে,ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসিফ মাহমুদ বেতাগাঁও বায়তুল মামুর নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে তাফসির মাহফিল অনুষ্ঠিত নাঙ্গলকোট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত শাজাহানপুর জগন্নাথপুর দাখিল মাদ্রাসায় বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত গণভোট ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে নীলফামারীতে জেলা ইমাম সম্মেলন নির্বাচিত সরকার গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করবে - মেজর হাফিজ পোরশায় মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
বুধবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
বুধবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

তিন মাস পরপর বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

দেশের জ্বালানি খাতে ভর্তুকি তুলে নেওয়ার অংশ হিসেবে তিন মাস পরপর বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সে হিসাবে চলতি বছরে আরও তিনবার দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন দাম বাড়িয়ে ভর্তুকি কমালেও বর্তমান ডলার মূল্য ও গ্রীষ্মের বর্ধিত বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে চালিত তেল বিদ্যুতের চড়া উৎপাদন ব্যয় সামগ্রিক ঘাটতি বাড়িয়ে দেবে, যা গ্রাহকের ওপর দ্বিগুণ চাপ তৈরি করবে। সে হিসাবে একটি ছোট পরিবারে এক বছরে বিদ্যুৎ বিল বাড়তে পারে ৬শ’ টাকা পর্যন্ত।


যদিও বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী তিন বছরে ১২ ধাপে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলে উৎপাদন ব্যয়ের কাছাকাছি চলে আসবে এবং গ্রাহকের ওপর চাপ তৈরি হবে না। অন্যদিকে ভর্তুকিও প্রায় শূন্য হয়ে আসবে।


এদিকে দেশের বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির ৮১ শতাংশই ক্যাপাসিটি চার্জ। বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে প্রায় ১৬ থেকে ১৭ হাজার মেগাওয়াট এবং প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় উৎপাদন মূল্য প্রায় ৮ টাকা। কিন্তু জ্বালানির উচ্চ মূল্যে ও ডলারের দামের কারণে যা বেড়ে ৯ টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। ফলে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলেও ঘাটতি বৃদ্ধির কারণে ভর্তুকি সে হারে কমবে না। বরং ভর্তুকির বাড়তি অর্থের সঙ্গে চড়া মূল্যে জ্বালানির দাম যুক্ত হবে। যা গ্রাহকের ব্যয় অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়ে দেবে।


এদিকে গত মার্চে এক বছরের ব্যবধানে মার্চে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে সরকার। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে সাড়ে ৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন দর অনুসারে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে বেড়েছে ৭০ পয়সা। নতুন দামে আবাসিক পর্যায়ে ৫০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য বেড়েছে ইউনিটপ্রতি ২৮ পয়সা। অর্থাৎ প্রতি ইউনিট ৪ টাকা ৩৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে এক মাসে বিল বাড়বে ২২ টাকা। পরে ধাপে ৭৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৮৫ পয়সা।

হজযাত্রীদের হেলথ চেকআপে বিকাশ পেমেন্টে ১০০ টাকা পর্যন্ত সাশ্রয়


তাতে এক মাসে বাড়তে পারে ৪০ টাকা। তৃতীয় ধাপে ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী (দেশে সবেচেয়ে বেশি আবাসিক গ্রাহক এই পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করে) যাদের একাধিক বাতি, ফ্যান ও ফ্রিজ ব্যবহার করছেন তাদের ১২২ টাকা বিল বাড়তে পারে।


এই হিসাবে বছরে চারবার বিদ্যুৎ বিল বাড়ানো হলে তৃতীয় ধাপের বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর বছরে প্রায় ৬শ’ টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ খরচ বাড়তে পারে এবং তিন বছরের। যা দুই হাজার ছাড়িয়ে যাবে। এছাড়াও গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল রিচার্চে প্রতি মাসে মিটার ভাড়া ও ট্যাক্স বাবদ গুনতে হচ্ছে প্রায় ২শ’-৩শ’ টাকা।


এ অবস্থায় নতুন অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বাজেট ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু এই হারে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলে দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যেতে পারে। অন্যদিকে কেবল গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে ভর্তুকি কমানোর যে পরিকল্পনা করা হচ্ছে তা অনেকটাই অসম্ভব বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত বেশ কয়েক বছর ধরেই আমদানিকৃত জ্বালানির দাম ঊর্ধ্বমুখী। ফলে ক্রমাগত বাড়ছে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয়। ফলে প্রতি তিন মাস পর পর দাম বৃদ্ধি করে ভর্তুতি কমানো হলেও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ঘাটতি থেকেই যাবে। এতে গ্রাহকের ব্যয় প্রতিনিয়ত বাড়লেও ভর্তুকি কমানো চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়বে।


অন্যদিকে দেশের বাজারে ডলারের দাম বৃদ্ধির প্রবণতা এ খাতে বাড়তি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সম্প্রতি বাজারে ডলারের দাম এক লাফে ৭ টাকা বেড়েছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত সব ধরনের জ্বালানি আমদানি ব্যয় বেড়ে যাবে। এছাড়াও গরমে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার মেগাওয়াট বৃদ্ধি পাওয়া বিকল্প হিসেবে তেলচালিত বিদ্যুতের উৎপাদন প্রায় ৪ গুণ বাড়ানো হয়েছে। যা কয়লা কিংবা আমদানিকৃত গ্যাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনের তুলনায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি ব্যয় হচ্ছে। যা গড় উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। জ্বালানি বিশ্লেষক অধ্যাপক এম শামসুল আলম যায়যায়দিনকে বলেন, সরকার তিন বছরে ভর্তুকি কমানোর জন্য বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির যে পরিকল্পনা করছে তাতে গ্রাহকের ওপর কেবল চাপই বাড়বে। অন্যদিকে আমদানি কমিয়ে যে ব্যয় সংকোচনের বর্তমান প্রবণতা সরকারের এ খাতে ভ্যাট ট্যাক্সসহ সামগ্রিক আয় কমিয়ে দেবে।


শামসুল আলম বলেন, ‘এ খাতে অন্যায়-অযুক্তিক ব্যয় বাড়ানো হলে ঘাটতির পরিমাণ বাড়তেই থাকবে। এই বিপুল পরিমাণ ঘাটতি গ্রাহকেরে ওপর চাপিয়ে না দিয়ে নীতি সংস্কারের প্রয়োজন। আমরা সরকারের কাছে ১৩ দফা প্রস্তাব দিয়েছি। যা গ্রহণ করা হলে গ্রাহকের ওপর বিলের বোঝা না বাড়িয়ে ব্যয় কমানো যাবে।’ এদিকে বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র মালিকদের পাওনা দুই বছর ধরে পরিশোধ করতে পারছে না বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এখন পর্যন্ত ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি বকেয়া পড়েছে। বছরে লোকসান ছাড়িয়ে গেছে ৫০ হাজার কোটি টাকার মতো। পরিস্থিতি উত্তরণে বন্ড ইস্যু করেও কোনো সমাধান মিলছে না। বিশ্লেষকরা বলছেন, এসবই হচ্ছে চাহিদার চেয়ে বেশি ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য। বাড়তি ক্ষমতার কেন্দ্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ না কিনলেও ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয়। তবু নতুন নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে। পুরনো কেন্দ্রের মেয়াদ বাড়ছে। নতুন আরও প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। 


আরও খবর




শরণখোলার ধানসাগর ইউনিয়নে বিএনপির আয়োজনে ধানের শীষের পক্ষে জনসভা অনুষ্ঠিত

মান্দায় আগামী সংসদ নির্বাচনে জামায়তের বিজয় নিশ্চিত ইনশাআল্লাহ-খ.ম আব্দুর রাকিব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সাতক্ষীরায় বিজিবির যৌথ টহল জোরদার

পঞ্চগড়ে জনগুরুত্বপূর্ণ মামলায় সামারি ট্রায়াল শুরু, ৩ জনের কারাদণ্ড

ঝিনাইগাতীতে ফের জামায়াত- বিএনপির সংঘর্ষ

কায়কোবাদের নির্বাচনী গণসংযোগে জনতার ঢল

ভারত চায় না আমরা সুখে শান্তিতে থাকি-মেজর হাফিজ

ফ্যাসিবদামুক্ত দেশ গড়তে 'হ্যাঁ' ভোটকে বিজয়ী করতে হবে,ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসিফ মাহমুদ

বেতাগাঁও বায়তুল মামুর নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে তাফসির মাহফিল অনুষ্ঠিত

নাঙ্গলকোট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

শাজাহানপুর জগন্নাথপুর দাখিল মাদ্রাসায় বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

গণভোট ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে নীলফামারীতে জেলা ইমাম সম্মেলন

কেন্দুয়ায় ইসলামী আন্দোলনের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

সুনামগঞ্জে ভোটের মাঠে থাকবে ড্রোন নজরদারি, নির্বাচন নিরাপত্তায় প্রস্তুত বিজিবি

মনপুরায় নির্বাচনকে ঘিরে যৌথ বাহিনীর পেট্রোল টহল জোরদার

ব্যবসায়ীর চোখ উপড়ে ও লিঙ্গ কর্তন করে হত্যা

খালেদা জিয়া মারা গেছেন

জামালগঞ্জে ডেবিল হান্ট অপারেশনে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

সিংড়া উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত অধ্যক্ষ রকিবুল ইসলাম

কক্সবাজারে অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: মাঠে নেমেছেন আপেল মাহমুদ

ঘাটাইলে শীতে খেজুর রস খেয়ে তৃপ্তি পাচ্ছে রসপ্রেমীরা

আখাউড়ায় খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে বিএনপির এমপি প্রার্থী কবির আহমেদ

মনোনয়ন বৈধ হলেও ধোঁয়াশা: সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী ঘিরে আলোচনা

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কমনওয়েলথ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের শোক

সেনবাগ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক বেলাল হোসেন শামীম

সেনবাগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ ফার্মেসি মালিককে জরিমানা

স্বতন্ত্র প্রার্থী সিগমার শোডাউনে কারণে আতঙ্কে কোমলমতি শিশু ও বৃদ্ধারা

শিকারীদের জন্য সতর্কবার্তা: টাঙ্গুয়ার হাওরে তিনজন আটক

নাইয়ারা দেশ প্রবাস উন্নয়ন ফোরামের চতুর্থ মেয়াদের কমিটি অনুমোদন

চলমান সংকট নিরসনে তৌহিদ ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের বিকল্প নেই শীর্ষক কর্মী সম্মেলন


এই সম্পর্কিত আরও খবর

নির্বাচন ঘিরে নাশকতা ঠেকাতে সতর্ক নিরাপত্তা বাহিনী

নির্বাচনি মাঠে প্রতিশ্রুতি ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগে ব্যস্ত ঢাকার বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা

জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে : প্রধান উপদেষ্টা

নিম্নআয়ের মানুষের ​স্থায়ী পুনর্বাসন করার অঙ্গীকার আমিনুল হকের

এনজিওগুলোর মতো, না রাজনৈতিক সরকারের মতো কাজ করছি বুঝছি না

নিয়োগ সুপারিশ পেলেন সাড়ে ১১ হাজার প্রার্থী, খালি থাকছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের অর্ধলক্ষাধিক পদ

দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক আনিস আলমগীর

দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে: তারেক রহমান

নির্বাচনে লেভেলে প্লেয়িং ফিল্ড নেই: নাহিদ ইসলাম

নীরব এলাকা বাস্তবায়নে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে: রিজওয়ানা হাসান